সরকারি জমি দখল করে রেখেছেন তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান!
জমি দখলের অভিযোগ উঠল বাংলার তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে। গুজরাটের বরোদা পুরসভার জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে পাঠানের বিরুদ্ধে। তাঁকে এই বিষয়ে নোটিশও দেওয়া হয়েছে বলে খবর৷
ইউসুফ পাঠান তাঁর বাড়ির পাশের জমিতে পাঁচিল তুলে দিয়েছেন। সেই জমি আসলে পুরসভার। সেই জমি বিক্রিও করা হবে না৷ কিন্তু পাঠান সেই জমি দীর্ঘ দিন ধরেই কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করে রেখেছেন বলে খবর। আর তিনি জমির অংশে পাঁচিল তুলে দিয়েছেন বলে খবর।

বরোদা পুরসভার পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ওই দেওয়াল সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বাড়ি লাগোয়া ওই জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে। এই অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে উঠছে। বৃহস্পতিবার পুরসভার এক বিজেপি কাউন্সিলর এই বিষয় সামনে এনেছেন।
চার জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়৷ দেখা যায় ইউসুফ পাঠান বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে দিয়েছেন। তিনি তৃণমূলের টিকিটে বহরমপুর থেকে নব নির্বাচিত সাংসদ হয়েছেন। জানা গিয়েছে, ৬ জুন এই নোটিশ পেয়েছেন ইউসুফ। তাহলে কি নির্বাচনে জিততেই প্রতিহিংসা শুরু হয়ে গিয়েছে? এই প্রশ্ন উঠছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন বিজেপি কর্পোরেটর প্রাক্তন বিজয় পাওয়ার একটি চিঠি লেখেন। স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ শীতল মিস্ত্রির কাছে চিঠি লিখে জমিটি দখলমুক্ত করার আর্জি জানানো হয়। অবিলম্বে সেই জমি পুরসভার অধীনে করার কথা বলা হয়। তারপরেই এই বিষয়টি সামনে আসে।
জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে ওই জমিটি চড়া দামে কিনতে চেয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। ওই জমির পাশের অংশে ইউসুফ বাড়ি করছিলেন। পুরসভার থেকে ওই জমিটি চেয়েছিলেন। প্রথমে পুরসভার থেকে না করে দেওয়া হয়। পরে পুরসভা জমি দিতে রাজি হয়েছিল।
কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই জমি দিতে বারণ করা হয়। ফলে পুরসভার পক্ষ থেকে ফের জমি দেওয়া যাবে না। বলে দেওয়া হয়। পরে জানা গিয়েছে,ওই জমিতে ইউসুফ পাঠান পাঁচিল তুলে দিয়েছেন।
ইউসুফ পাঠানকে ওই দেওয়াল সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে তৃণমূল সাংসদকে। তারপর পদক্ষেপ করবে বরোদা পুরসভা। ওই জমি পুরসভা ফিরিয়ে নেবে। এই কথা জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications