Abhishek Banerjee on Sandip Ghosh: '১৪ দিন পরেও কেন গ্রেফতার নয় সন্দীপ ঘোষ', পাল্টা তোপ অভিষেকের
আরজি কর ইস্যুতে পাল্টা চাপ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবার পাল্টা সিবিআই তদন্ত নিয়ে সওয়াল তুললেন। এই প্রথম সন্দীপ ঘোষের নাম শোনা গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডের তদন্ত ভার সিবিআই নিয়েছে ১৪ দিন হয়ে গেল কেন এখনও পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা হল না জবাব দিক সিবিআই।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। কীভাবে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠেছে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। কেন সন্দীপ ঘোষ পুরো ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করলেন। এবং আরজি কর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কীভাবে সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্টও। সন্দীপ রায় কেন সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর দায়ের করলন না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্দে প্রভাবশালী হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এসপি দাসের ঘনিষ্ঠ এই সন্দীপ ঘোষ। তার দাপটেই প্রভাবশালী হয়ে কাজ করতেন। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর জি কর হাসপাতালে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই সন্দীপ ঘোষ বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে ইডি।
সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১১ দিন ধরে সন্দীপ ঘোষকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে জেরা করা হয়েছে। এমনকী তাঁর বেলেঘাটার বাড়িতে এবং সন্দীর ঘোষ ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই নিয়ে এই প্রথম মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে যোগ দিয়ে অভিষেক পাল্টা সিবিআইকে নিশানা করে বলেছেন। কলকাতা পুলিশের হাতে চার দিন কেস ছিল। তারপরে সেটি সিবিআই নিয়েছে। ১৪ দিন পরেও কেন সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হল না তার জবাব তলব করেছেন তিনি।
১৪ অগাস্ট আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মেয়েরা যে রাত দখলের কর্মসূচি নিয়েছিল সেই প্রসঙ্গেও এদিন মন্তব্য করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ১৪ তারিখ যে মেয়েরা রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন সেই কর্মসূচিতে আমরা সম্মান জানাই। যাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন ধর্ষণ মুক্ত সমাজ গড়ার। যাঁরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন তাঁদের সম্মান জানাই। দোষীদের কঠোর শাস্তি হোক।












Click it and Unblock the Notifications