ভাইরাল ভিডিও রং চড়ানো-ফালতু! সাফাই দিতে বিজেপি নেত্রী সঙ্গীতাকে নিয়ে আর যা বললেন অনুব্রত
রং চড়ানো ভিডিও। ওসব ফালতু। রবিবার নিজের ভাইরাল হওয়া ভিডিও সম্পর্কে এমনটাই বললেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।
রং চড়ানো ভিডিও। ওসব ফালতু। রবিবার নিজের ভাইরাল হওয়া ভিডিও সম্পর্কে এমনটাই বললেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কী ভিডিও ছড়িয়েছে তা তাঁর দেখার ইচ্ছাও নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। কেননা কে কী দেখাল তাতে, তার কিছু যায় আসে না। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থল বীরভূম জেলা তৃণমূলের সদর দফতর। কথোপকথনে অনুব্রত মণ্ডলে বেশ কিছু নির্দেশ দিতে শোনা যায়। যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডারকে নির্দেশ দিতে শোনা যাচ্ছে, 'ফাইভ ম্যান কমিটি থেকে যে ছেলেটাকে বাদ দিলাম, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে।'
আবার বিজেপি নেত্রীকে গাঁজার কেসে অ্যারেস্টের নির্দেশও দেন অনুব্রত মণ্ডল। বলেন 'মোটা মেয়েটার কী নাম। শাড়ির ব্যবসা করে। সঙ্গীতা নাম। ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। বিজেপি করে, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে।'
এর পরেই জেলার সহসভাপতি অভিজিৎ সিংহকে নির্দেশ দেন, 'আউশগ্রামের আইসিকে ফোনে ধর, বর্ধমানের এসপিকে ফোনে ধর। ধরিয়ে দিই।'
দলীয় বৈঠকের ভিডিও বাইরে যাওয়ার কথা নয় বলে এদিন মন্তব্য করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। যদি বাইরেও যায়, ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ সেটা করেনি বলেও মন্তব্য এই নেতার।
ভিডিও-তে বিজেপি নেত্রী সঙ্গীতার নাম করে তাঁকে গাঁজার কেস দিতে নির্দেশ দিতে শোনা গিয়েছিল। যদিও পরের দিন অনুব্রত মণ্ডল জানান, তিনি সঙ্গীতা বলে কাউকে চেনেন না। এসম্পর্কে রবিবার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে রং চড়ানো ও ফালতু বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আউশগ্রামের এক তৃণমূল নেতাকেও অ্যারেস্ট করানোর নির্দেশ দিতে শোনা গিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে অ্যারেস্ট করানোর কথা বলা হয়েছিল। এবিষয়েও সাফাই দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেছেন আউশগ্রামে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় নামে তাদের এক কর্মী খুন হয়েছিলেন। সেই খুনিদের ধরিয়ে দিতে বলেছিলেন তিনি। খুনের আসামী এখন গাঁজার ব্যবসা করে। তাঁকেই গ্রেফতার করতে বলা হয়েছিল বলে সাফাই দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল।












Click it and Unblock the Notifications