জেলায় জেলায় বাদ পড়েছে বাঙালি ভোটারদের নাম! নথি দেখিয়ে দাবি তৃণমূলের, SIR আবহে শোরগোল
জেলায় জেলায় বাদ পড়েছে বাঙালি ভোটারদের নাম। তার মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাও রয়েছে। নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করল তৃণমূল কংগ্রেস।
রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। আর তারপরই তৃণমূলের এই চাঞ্চল্যকর দাবি। নির্বাচন কমিশনে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

আজ তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার হার্ড কপি এবং যে কপি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে তাতে ভোটার সংখ্যায় রয়েছে ব্যাপক গরমিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাই সঠিকভাবেই বলেছেন এসআইআর হলো সাইলেন্ট ইনভিজিবল রিগিং বা চুপি চুপি কারচুপি। তালিকায় কেন এমন গরমিল সে ব্যাপারে জোরালো প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।
যে জেলাগুলিতে এই গরমিলগুলি সামনে আনা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা। কোচবিহারের নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বুথ নম্বর ২ (কালজানি এইডেড প্রাথমিক বিদ্যালয়), যা বর্তমানে কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের খাপাইডাঙা গ্রামের বুথ নম্বর ৩০৩-এর অন্তর্ভুক্ত, সেই বুথে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ৭১৭জনের নাম ছিল। বর্তমানে অনলাইন ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে মাত্র ১৪০ জনের।
একইরকমভাবে, মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রের পাচাগড় গ্রামের বুথ নম্বর ১৬০ (মাথাভাঙ্গা কলেজ, রুম নম্বর-২) -এর ২০০২ সালের নির্বাচনী তালিকায় ৮৪৬ জন ভোটারের নাম ছিল। এখন ২/২৪৪ নম্বর বুথে ৪১৬ জনের নাম রয়েছে। ৪১৭ থেকে ৮৪১ পর্যন্ত নামগুলি তালিকা থেকে এক কথায় উধাও হয়ে গিয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনার আশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রের হাবরা-২ ব্লকের গুমা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে, ২০০২ সালের বুথ নম্বর ১৫৯-এর ভোটার তালিকার কোনও ভোটারের নামই নেই। পাশাপাশি বুথ নম্বর ৬১-এর ভোটার তালিকায় ২০০২ সালে ৩৪৩ থেকে ৪১৪ নম্বর পর্যন্ত নামগুলিও নেই।
আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরির ভোটার তালিকা থেকে বুথ লেভেল অফিসারের (বিএলও) বাবা, মা এবং ভাইয়ের নামও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের। নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications