এবার ১০১ বছরে নৈহাটির বড়মার পুজো, সাজছেন ১০১ ভরি সোনার গয়নায়
নৈহাটির অরবিন্দ রোডে শেষ পর্যায়ের ব্যস্ততা তুঙ্গে। ওই রাস্তাতেই একাধিক কালীপুজো৷ সব থেকে বড় কথা ওই রাস্তাতেই বড়মার পুজো। আগামী কাল কালীপুজো। আর সেই কালীপুজোকে ঘিরে উন্মাদনাও কম নেই। ইতিমধ্যেই বড়মাকে দেখার জন্য ভিড় হতে শুরু করেছে নৈহাটিতে।
গত বছর শতবর্ষ ছিল৷ এবার বড়মার পুজো ১০১ বছরে পড়ল। একই আদলে এবারও বড়মার দীর্ঘ মৃন্ময়ী রূপ তৈরি হয়ে গিয়েছে। মণ্ডপ সহ অন্যান্য ছোটখাটো কাজও শেষ। এবার পুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতি বছরই বড়মাকে দর্শনের জন্য দূরদূরান্ত থেকে জনসমাগম হয়। এবারও তার অন্যথা হবে না। এই কথা মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

ছবি সৌজন্য- Boro Maa Naihati/ ফেসবুক
নৈহাটিতে একাধিক কালীপুজো হয়। বহু আগে থেকেই নৈহাটির কালীপুজো ঘিরে মানুষের মধ্যে চর্চা আছে। পুজোর দিনে বহু মানুষের ভিড় দেখা যায় নৈহাটিতে। যান নিয়ন্ত্রণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক রাস্তা বন্ধ ওই এলাকার। পুলিশ প্রশাসন ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য রাস্তায় নেমে পড়েছে।
প্রতি বছর বড়মা সোনা ও রুপোর গয়নায় সেজে ওঠে। এছাড়াও থাকে ফুলের সাজ। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। এই বছর বড়মাকে ১০১ ভরি সোনার গয়না পরানো হবে। এছাড়াও থাকছে ২০০ ভরি রুপোর গয়না। মন থেকে বড়মার কাছে কিছু চাইলে, তাকে ফেরানো হয় না। এই কথা চর্চা আছে। পুজোর দিনে প্রচুর মানুষ মানত করেন, দণ্ডি কাটেন৷ এবারও সেই সংখ্যা অনেকটাই হবে। এমন কথা মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।
এই বছর প্রায় পাঁচ হাজার কেজি ভোগ রান্না হবে। বিপুল আয়োজনও সেজন্য প্রায় প্রস্তুত৷ ভাত, পোলাও, খিচুড়ি, পণির, লুচি, সুজি, পায়েস ছাড়াও একাধিক পদ ভোগের জন্য তৈরি হয়৷ পুজোর জন্য হাজার হাজার ডালা পরে। শাড়ি, ফল ভরে যায়।
সেই সব শাড়ি, ফল পুজোর পরের দিন দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আশপাশের এলাকার হাসপাতালের রোগীদের কাছে সেই ফল পৌঁছে যায়। বড়মার পুজো ঘিরে এবারও উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications