'যাহা ইউনূস, তাহাই মমতা'! কটাক্ষ শুভেন্দুর, বাংলাদেশ সীমান্তে রাজনীতি ভুলে জাগ্রত ভারতীয়রা
Bangladesh: বাংলাদেশ শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করার পরই ভারতে হাসিনার থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সেই সঙ্গে তিনি একযোগে আক্রমণ করলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ৬০০ কিলোমিটারের বেশি এলাকায় জমি বিএসএফকে দিচ্ছেন না। তবে তাতে অসুবিধা নেই। সীমান্ত এলাকার মানুষজন রাজনীতি ভুলে ভারতমাতা কি জয়, জয় শ্রীরাম স্লোগান দিচ্ছেন।
শুভেন্দু বলেন, সীমান্ত এলাকার মানুষ হাঁসুয়া নিয়ে ঘুরছেন। বাংলাদেশের চোরাচালানকারী, মানবপাচারকারী, জঙ্গিদের উদ্দেশে তাঁরা বলছেন, বিএসএফ তো পরে দেখবে। আগে তোদের ভালো করে অভ্যর্থনা আমরাই দেব। শ্লেষের সুরে শুভেন্দু বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তে এই যে ভারতীয়দের জাগরণ ঘটে গিয়েছে তার কৃতিত্ব আমি দুজনকে দেব। একজন মোল্লা, সুদখোর ইউনূস। আরেকজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাহা ইউনূস, তাহাই মমতা!
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যেমন বাঙালিদের উপর অত্যাচার চালাত, এখন সেটাই চলছে। বাংলাদেশে কেয়ারটেকার সরকার অবৈধ। আর কিছুদিন পরেই সেখানে গণতন্ত্র ফিরবে বলে নিশ্চিত শুভেন্দু।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ইউনূসের কড়া সমালোচনা করে বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নির্বাচনে জিতে নির্বাচিত হওয়া প্রধানমন্ত্রী। মৌলবাদী, জঙ্গি, তালিবানরা সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে জোর করে দেশত্যাগে বাধ্য করেছে। কিন্তু তিনিই বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। সরকারের কোনও গুরুত্ব, বৈধতা নেই। এখন গণতন্ত্রের উপর আঘাত হেনেছে মোল্লা ইউনূসের কেয়ারটেকার সরকার। কিছুদিন পরেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জয় সুনিশ্চিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications