জাতীয় তকমা মুছতেই অমিত শাহকে ফোন করেন মমতা! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর
সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগে সর্বভারতীয় তকমা হারিয়েছে তৃণমূল। যা নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। আর এর মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সর্বভারতীয় তকমা হারানোর পরেই অমিত শাহকে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ সিঙ্গুরে সভা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যা কিনা বিজেপির অন্যতম শক্তঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। আর সেই সভা থেকেই একেবারে কড়া ভাষায় শাসক তৃণমূলকে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা।

এমনকি সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়েও সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি। আর এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই কার্যত বিস্ফোরক দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, তৃণমূলের জাতীয় তকমা চলে যেতেই অমিত শাহকে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অমিত শাহকে গুণ্ডা বলেছেন। আর তাঁকেই চারবার ফোন করে পা ধরেছেন বলে দাবি বিজেপি নেতার। শুধু তাই নয়, সভামঞ্চ থেকেই তাঁর দাবি, ফোন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ২০২৪ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় তকমাটা রাখার কথা বলেন। তাতে শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাখা যাবে না, আপনি তো ভোট পাননি। এমনকি নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনে চলে। আর তাই আপনি আর সর্বভারতীয় নন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়াকে অমিত শাহ জানান বলে দাবি।
আর এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। একেবারে কড়া ভাষায় পালটা বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ওনাকে ফোন করবেন। বরং শুভেন্দুই মমতাদির পা ধরেছিলেন। বাবাকে নয়, তাঁকে মন্ত্রী করার জন্যে নাকি সেই সময় আবেদন জানিয়েছিলেন বলে দাবি কুণাল ঘোষের।
এমনকি বিশ্বাসঘাতক-গদ্দার বলেও আক্রমণ করেছেন তিনি। বলে রাখা প্রয়োজন, ত্রিপুরা সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে তৃণমূল। আর এরপরেই জাতীয় তকমা কেড়ে নেয় নির্বাচন। কমিশন। কার্যত এই বিষয়ে কমিশনের থাকা শর্তের সঙ্গে না মেলার কারনেই সর্বভারতীয় তকমা হারাতে হয় তৃণমূলকে।
আর এই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই আজ কার্যত বোমা ফাটালেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি সিঙ্গুর ইস্যুতে তাঁর দাবি, হাজার হাজার বেকার যুবক-যুবতীর স্বপ্ন ধ্বংস করেছে তৃণমূল। এমনকি সিঙ্গুরের সবথেকে সর্বনাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন বলেও এদিন মন্তব্য করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর মতে, তৃণমূল আমলে একের পর এক কারখানা বন্ধ। রাজ্যকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications