অভিষেকের নাম নিয়েছি কিনা জানতে ইডিকে ফোন করছিলেন শুভেন্দু! চিঠিতে বিস্ফোরক কুন্তল
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলতে চাপ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা! গত কয়েকদিন আগেই এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করে ধৃত কুন্তল ঘোষ। শুধু অভিযোগ করাই নয়, এই মর্মে আদালত এবং হেয়ারস্ট্রিট থানাতে অভিযোগ জানিয়েছেন বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতা।
আর এই অভিযোগ ঘিরেই তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু কি আছে কুন্তলের লেখা চিঠিতে? সূত্রের খবর পুলিশ এবং বিচারককে দেওয়া চিঠিতে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতা।

তাঁর দাবি, যেদিন আমার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যান ইডির আধিকারিকরা সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফোন করছিলেন। ইডির এক আধিকারিককে এই ফোন তিনি ফোন করছিলেন বলেও দাবি কুন্তলের।
শুধু তাই নয়, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নাম নিয়েছি কিনা তা ফোন করে শুভেন্দু অধিকারী জিজ্ঞেস করছিলেন বলেও চিঠিতে দাবি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত কুন্তলের। শুধু তাই নয়, এই তথ্য নাকি ইডির এক আধিকারিকই তাঁকে বলেছেন বলেও বিস্ফোরক দাবি তাঁর।
এমনকি সাদা পাতায় যা খুশি লিখে আমাকে সই করতে বাধ্য করা হত বলেও এদিন দাবি করেছেন এই তৃণমূল যুব নেতা। চিঠিতে লেখা একের পর এক বিস্ফোরক দাবি ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, ভাগ্যিস কুন্তল অমিত শাহের নাম নেননি। শুভেন্দু অধিকারী পর্যন্ত বলেই থেমেছেন উনি। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবেই মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র বলেও দাবি বিজেপি নেতার। তবে কুণাল ঘোষ বৃহস্পতিবারই বলেন, একজন বিচারাধীন বন্দির এহেন অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ। তবে এহেন চিঠির বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ইডি। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
আর সেখানে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ একটা গতেবাধা ছক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে লালন শেখের মামলাতেও তদন্তে যুক্ত নেই এমন আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলেও পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের।

তবে আদালতের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED কিংবা CBI এর কোন তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশ কোনও FIR করতে পারবেন না বলে এদিন নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি এক্ষেত্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবং কুন্তলকে জেরা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। যা নিয়ে অবশ্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানান কুণাল।












Click it and Unblock the Notifications