সবে তো এসেছে কালীঘাটের কাকুর নাম...! নিয়োগ দুর্নীতিতে সেই পরিবার-খোঁচা সুকান্তের
সেখানে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও একাধিক বিধায়ক। ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এই বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক নাম সামনে আসছে। এভাবেই সামনে এসে গিয়েছে কালীঘাটের কাকুর নাম! এবার দেখতে থাকুন, আস্তে আস্তে সব নামই সামনে আসবে। কালীঘাটের কাকুর নাম নিয়ে বিশেষ পরিবারের দিকেই আঙুল তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

কলকাতা আইসিসিআর-এ বিজেপির ২০২৪ লোকসভার বিস্তারকদের কার্যকরণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হল মঙ্গলবার। সেখানে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও একাধিক বিধায়ক। ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এই বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারকে একহাত নেন।
শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ প্রদান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি ঘেরাও সংস্কৃতকে তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, বাড়ি ঘেরাও এই সংস্কৃতিকে আমরা বিশ্বাস করি না! কোচবিহারে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করে গন্ডগোল পাকানোর প্রচেষ্টা হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ।
তার প্রতিবাদের এদিন শান্তিপূর্ণভাবে অভিষেকের বাড়ি ফেরাও কর্মসূচি ছিল বিজেপির। সেই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে। তাদের অনেক কার্যকর্তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সুকান্ত বলেন, আমরা গণতান্ত্রিকভাবে ও আইনগতভাবে এর বিরুদ্ধে লড়ব। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে বিশ্বাসী। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীর ব্যক্তিগত বাড়ি ঘেরাও ঘোর বিরোধী।
সুকান্ত এদিন অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ভাষাকে বাংলায় চালু করতে চান। পানি ও দাওয়াত- এই দুটো শব্দকে বাংলা শব্দ মনে করি না। ৪৫০০ আরবি শব্দকে বাংলা ভাষায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেমন নাস্তা, গোসল, দোস্ত ও সালাম। আমরা তাই স্লোগান তুলছি আরব সাম্রাজ্যবাদ বাংলা থেকে নিপাত যাক।
আর কালীঘাটের কাকুর নাম প্রকাশের পর তিনি বলেন, সবে তো কাকুর নাম এসেছে। ভাইপো, কাকিমা, পিসি- মোট কথা পরিবারের কেউ বাদ যাবে না। তা না হলে অসম্পূর্ণ থেকে যাবে কাকুর নাম! আজ যে কাকুর নাম পাওয়া গেছে, সেই কাকুকে লিপস অ্যান্ড বাউন্স কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ম্যানেজারের সাথে সাথে মালিকের নামও আসবে।
এদিন সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, রাজ্যের উন্নয়নের ক্ষেত্রে দলাদলি হওয়া উচিত নয়। তৃণমূলের কোনো প্রতিনিধি কিংবা রাজ্য সরকারের কোন প্রতিনিধি কোচবিহারে বিমান উড়ানের অনুষ্ঠানে থাকলে ভালো হ'ত। এরপর ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারকে একহাত নেন তিনি। বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মাইনে দিয়ে উনি কি কৃপা করছেন। যদি না চালাতে পারেন, ছেড়ে দিন। আমরা চালিয়ে নেব, আমরা কর্মচারীদের ডিএ দেব, মাইনেও দেব। সব ঠিকঠাক চলবে।












Click it and Unblock the Notifications