দিলীপ ঘোষের পদ্মবাগানে ঘাসফুল ফুটিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দিলেন মোক্ষম জবাব, কাজের সঙ্গে কথাতেও
ভোটের আগে মুকুল রায় বাণ ছেড়েছিলেন কথার। বলেছিলেন, যেখানেই শুভেন্দু, সেখানই হার তৃণমূলের। মমতা শুভেন্দুকে খড়গপুরের দায়িত্ব দিয়ে আমাদের লড়াই সহজ করে দিয়েছেন। তার উত্তর দিলেন শুভেন্দু।
ভোটের আগে মুকুল রায় বাণ ছেড়েছিলেন কথার। বলেছিলেন, যেখানেই শুভেন্দু, সেখানই হার তৃণমূল কংগ্রেসের। মমতা শুভেন্দুকে খড়গপুরের দায়িত্ব দিয়ে আমাদের লড়াই সহজ করে দিয়েছেন। শুভেন্দু তার প্রত্যুত্তরে কিছুই বলেননি। শুধু জানিয়েছিলেন, এর উত্তর দেবে নির্বাচনী ফলাফল। সেই উত্তর দিয়েছে খড়গপুর। দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু কংগ্রেস-বিজেপির খড়গপুর তুলে দিয়েছেন দিদির হাতে।

প্রেস্টিজ ফাইটে জয়
প্রেস্টিজ ফাইটে জয়
আর জয়ের পরও তিনি বিনয়ী। জয়ের কৃতিত্ব তিনি দিয়েছেন জনতাকে অর্থাৎ খড়গপুরবাসীকে। টোটকা দিয়েছেন তাঁদের প্রার্থীকে কীভাবে মানুষের পাশে থাকতে হবে, কীভাবে কাজ করতে হবে। খড়গপুরে এই প্রথম ঘাসফুল ফুটেছে। জোড়া ফুলের পতাকা পতপত করে উড়ছে এলাকায়। শুভেন্দুর ক্যারিশ্মায় ম্নান হয়ে গিয়েছে দিলীপের সাধের গড়। প্রেস্টিজ ফাইটে জিতেছেন শুভেন্দু।

লোকসভায় জিতে টার্গেট শুভেন্দু
বিগত লোকসভায় উত্তরবঙ্গের সবকটি আসনেই জিতেছিল বিজেপি। তার মধ্যে দুটি জেলায় দায়িত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্বে ছিলেন মুর্শিদাবাদেরও। কিন্তু প্রভূত সাফল্য আনতে পারেননি। মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর থেকে তো একটা আসনও বের করে আনতে পারেননি। মুর্শিদাবাদে কিঞ্চিৎ সাফল্য পেয়েছিলেন। কিন্তু অধীরের নাম ও নিশান মুছে ফেলতে পারেননি তিনি।

মাটি কামড়ে পড়ে থেকে জয়লাভ
সেই নিরিখেই মুকুল রায় খোঁচা দিয়েছিলেন শুভেন্দুকে। কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে হারের পর শুভেন্দুকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বিশেষ করে খড়গপুরে তাঁকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মুকুল রায় কটাক্ষ করেছঠিলেন শুভেন্দু যেখানে, তৃণমূলের হার সেখানে। কিন্তু শুভেন্দুর একাগ্রতা ফের প্রমাণ করেছে তিনি জানেন জয় ছিনিয়ে আনতে। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে বিজেপিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছেন তিনি।

কথায় নয় কাজে জবাব
কথায় নয় কাজে জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপি রাজ্য সভাপতির খাস তালুকে জয় ছিনিয়ে তিনি শুধু বলেছেন, যাঁরা একটা সময় বলেছিলেন ঊনিশে হাফ, একুশে সাফ, তাঁদের দম্ভ-অহঙ্কার, খড়গপুরের মানুষ ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। তিনি এক কথায় বিজেপি ও বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষকে জবাব দিয়েছেন। আর দলের প্রতি বার্তা দিয়েছেন সৌজন্যের রাজনীতি অটুট রাখতে।












Click it and Unblock the Notifications