ছয় থেকে আট দফায় মে মাসে ভোট করাতে সমস্যা নেই! হাইকোর্টকে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন
ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভায় ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকি পুরসভার ভোট নিয়ে জটিলতা। যদিও কমিশনের দাবি আগামী বছরে মে মাসে ভোট করাতে পারবে তাঁরা। ছয় থেকে আট দফায় এই ভোট হবে। আজ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে পুরভোট নিয়ে চলা মামল
ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভায় ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকি পুরসভার ভোট নিয়ে জটিলতা। যদিও কমিশনের দাবি আগামী বছরে মে মাসে ভোট করাতে পারবে তাঁরা। ছয় থেকে আট দফায় এই ভোট হবে। আজ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে পুরভোট নিয়ে চলা মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই এমনটাই দাবি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।

শুধু দাবি করা নয়, এই সংক্রান্ত একটি হলফনামাও কমিশনের তরফে কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে পুর মামলার শুনানি ছিল। গত শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন। বকেয়া পুরসভাগুলির নির্বাচন নিয়ে কমিশনের পরিকল্পনা কি, কবে কত দফায় ভোট সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট।
আজ সোমবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই এমনটাই দাবি করে জানায় নির্বাচন কমিশন।
হলফানা জমা দেওয়ার পাশাপাশি এদিন কমিশনের তরফে সওয়াল জবাবে জানানো হয় যে, ইভিএমের সংখ্যা কম রয়েছে। কিন্তু বুথের সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে কখনই একসঙ্গে ভোট করানো যাবে না বলে এদিন শুনানিতে আদালতকে জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, হলফনামায় কমিশন জানিয়েছে, ১৫,৬৮৭টি ইভিএম আছে কমিশনের কাছে। আর এর মধ্যে ৭,২১০টি কলকাতার পুরভোটে ব্যবহার করা হবে।
যদি নির্ধারিত দিনে গণনা না হয়, তা হলে কমিশনের কাছে ৮,৪৭৭টি ইভিএম পড়ে থাকবে। ফলে বকেয়া পুরসভাগুলিতে ভোট করানো সম্ভব না। আর সেই কারনে এতগুলি দফায় ভোট করার বিষয়ে আদালতকে জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও এদিন শুনানিতে করোনার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় কমিশনের তরফে।
শুনানিতে কমিশন বলে, করোনা পরিস্থিতিতে মাথায় রেখে ভোট করাতে হচ্ছে। আর সেই কারনে একাধিক দফায় ভোট করানো প্রয়োজন বলে আদালতকে জানিয়েছেন কমিশনের আইনজীবী। তবে শুনানিতে কমিশনের কাছে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, প্রথমে এপ্রিল বলে এখন মে মাসে ভোট কেন বলছে রাজ্য। যদিও এই মামলার সব পক্ষের কাছে সোমবার কমিশনের হলফনামা পৌঁছয়নি। ফলে আগামিকাল মঙ্গলবার ফের একবার পুর মামলার শুনানি রয়েছে। ফলে আদালত কি বলে সেদিকেই নজর ওয়াকিবহালমহলের।
উল্লেখ্য, কলকাতা এবং হাওড়াতে পুরনির্বাচন হলেও কেন অন্যান্য বকেয়া পুরসভাগুলিতেও একসঙ্গে ভোট করানো হবে না তা চ্যালেঞ্জ করেই মুলত মামলা হয়। মামলা করে বিজেপি, সিপিএম। যদিও সব মামলার শুনানি একসঙ্গে হচ্ছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কলকাতা হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications