কেন শুধু দুর্গাপুজোর অনুদান? বাংলা এখন লুটের মৃগয়া ক্ষেত্র, মমতাকে নিশানায় বিস্ফোরক অধীর
কেন শুধু দুর্গাপুজোর অনুদান? বাংলা এখন লুটের মৃগয়া ক্ষেত্র, মমতাকে নিশানায় বিস্ফোরক অধীর
ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস (congress) সভাপতি অধীর চৌধুরী (adhir chowdhury)। রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়ে কেউ কালি মাখাতে পারবে না, মন্তব্য প্রসঙ্গে
অধীর চৌধুরী বলেছেন, আপনান দিদি চোরেদের সর্দারনি।

বাংলা এখন লুটের মৃগয়া ক্ষেত্র
জামাইবাবু-শালাবাবু-শ্বশুর বাবু তাদেরই সব সম্পত্তি। পশ্চিমবঙ্গের অন্য কারও আর কিছু নেই। একদিকে পিসি-ভাইপো আর অন্যদিকে শালা-জামাইবাবু-পিসি-ভাইপো বাংলা লুট করছে। আর তা দেখে বীরভূমের জামাইবাবু শালাশালি শ্বশুর মশাই সবাই এখন লুট করতে আরম্ভ করেছে। এই বাংলা এখন লুটের মৃগয়া ক্ষেত্র হয়েছে বলে। বহরমপুরে এমনই কটাক্ষ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর।

চোরের দলকে চোর বলবে নাতো কী বলবে
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, নেমে পড়ুন অস্ত্রের অভাব নেই, বোমার অভাব নাই। পুলিশ পিছনে থাকবে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, চোরের দলকে চোর বলবে না তো কী বলবে। আপনি কি বলেন, সাধু বলবেন। চোরের দলে নেতা যখন হয়েছেন তখন স্বীকার করুন। সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতি এমনটাই মন্তব্য অধীর চৌধুরীর। তিনি বলেছেন, দাবি তুলুন, দলকে চোর মুক্ত করা হোক। দাবি তুলুন তৃণমূলের পক্ষ থেকে, পিসি ভাইপো মুক্ত তৃণমূল চাই। এই বাংলায় স্লোগান উঠুক চোর মুক্ত বাংলার চাই। এটা বাংলা মানুষের সাধারণ দাবি । চোরকে চোর বলবে এটা বাংলা মানুষকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না, বলেছেন তিনি। এখন চোর শুনতে কেন ভাল লাগছে না প্রশ্ন করেছেন তিনি। কাজের সময় কাজি আর এখন যখন দোষ করেছেন তখন কেন শুনবেন না, কেন মানুষকে ধমকে চমকে রাজনৈতিক নেতা হবেন, প্রশ্ন করেছেন অধীর চৌধুরী। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ঘুষি মারার মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন আপনার দিদি চোরদের সর্দারনি।

পিসি-ভাইপোর ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতা
তৃণমূলের পিসি ভাইপোর ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। অধীর চৌধুরী বলেছেন, প্রথমে তা সামনে না আসলেও আস্তে আস্তে তা সামনে আসবে।

দুর্গা পুজোয় অনুদান নিয়ে
দুর্গা পুজোর সরকারি অনুদান প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেছেন, দিদি এটা চালু করেছে, এটা বাংলা পুজোর জন্য। তবে বাংলাতে কত দুর্গাপুজো হচ্ছে আর দিদির তহবিল থেকে কত দেওয়া হচ্ছে সেটা সবার জানা দরকার। বাংলায় শুধু দুর্গাপুজো হয় না, আরও অনেক পুজো হয়। সেই পুজোয় লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেন, বলেছেন অধীর। দিদির শুধু দুর্গাপুজোর কথা না ভেবে আরও অনেক পুজো বা উৎসবের কথা ভাবা উচিত। সব পরব উৎসবে টাকা দরকার। তাই শুধু দুর্গাপুজোয় টাকা যেমন দরকার ঠিক তেমনি বাকি উৎসব পরব যেমন আছে সেখানেও অর্থ বরাদ্দ দরকার। আর না হলে এটা এখন একপক্ষ হয়ে যাচ্ছে, কটাক্ষে বলেছেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications