বঙ্গ বিজেপি রাজ্য সভাপতি হওয়ার দৌড়ে সচিন্দ্রনাথ সিনহা
২০১৯ এ লোকসভা নির্বাচনের সময় বঙ্গের বিশ্বহিন্দু পরিষদের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন সচিন্দ্রনাথ সিনহা৷ সে সময় উত্তরবঙ্গ এবং পুরুলিয়া সহ বেশ কয়েকটি জায়গাতে বিজেপির দারুণ ফলের পেছনে সচিনবাবুর সাংগঠনিক দক্ষতা কাজ করেছিল বলে বিজেপির অভ্যন্তরে অনেকেই মেনে নেন। রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলীপ ঘোষের প্রথম টার্ম শেষ হওয়ার সময় থেকে সচিনন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছে বারে বারে৷ তবে সচিনবাবু থেকেছেন অন্তরালেই!

শুভেন্দু অধিকারীর জেলার লোক সচিনন্দ্রনাথ সিনহা অনেক পুরনো সংঘকর্মী। বর্ত বিশ্বহিন্দু পরিষদের সর্বভারতীত সহ সভাপতির পদে রয়েছেন সচিন্দ্রনাথ৷ এর আগে গোটা পূর্বক্ষেত্রের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি৷ ২০১৯ এর নির্বাচনে নিজের সাংগঠনিক যোগ্যতাও প্রমান করেছেন সচিন৷ পাশপাশি বঙ্গ-বিজেপিতে সেরকমভাবে কোনও লবির লোক নন বিশ্বহিন্দু পরিষদের এই নেতা। এবং বঙ্গবিজেপির লবিবাজী ভাঙতে কেন্দ্রের অস্ত্র হতে পারেন সচিনবাবু৷
সচিন্দ্রনাথ সিনহাকে দায়িত্ব দিলে সংঘের পুরনো কর্মী হওয়ায় পুরনো বনাম নব্য দ্বন্দকে অনেকটা আটকানো সম্ভবহতে পারে৷ প্রথম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী কট্টর হিন্দুত্ববাদী মুখ সচিন্দ্রনাথ৷ তাঁকে সামনে এনে মমতাকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বিজেপির কাছে। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের একাধিক নেতাকে টিকিট দেওয়ার ফলে যে বুথস্তরে বিজেপির বিক্ষুব্ধ কর্মী তৈরি হয়েছে তাদের শান্ত করার কাজ সচিনন্দ্রনাথ সিনহা অনেকটা সফলভাবে করতে পারেবন বলেও অনেকে মনে করেন।
বিশ্বহিন্দু পরিষদ এবং আরএসএস-এর সাংগঠনিক শক্তিকে বিজেপির জন্য ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও সচিনন্দ্রনাথ সিনহার থেকে ভালো মুখ এই মুহুর্তে বঙ্গ রাজনীতিতে নেই৷ পাশাপাশি সংঘের অনুশাসন মেনে বড় হওয়ার কারণে দলের আদর্শ ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি দায়বদ্ধতা অন্য অনেকের থেকে বেশি থাকবে সচিনন্দ্রনাথ সিনহার৷ এসব একধিক কারণ খতিয়ে দেখলে বলা যায় বিজেপির বঙ্গ সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এ রয়েছেন সচিন্দ্রনাথ সিনহা।












Click it and Unblock the Notifications