RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসা উচিত নয় আন্দোলনরত চিকিৎসকদের, কারণ দেখিয়ে পরামর্শ শুভেন্দুর
RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা নবান্নে বৈঠকের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন আজই। উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফিরে তাঁদের এই অবস্থানকে সমর্থন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
শুভেন্দুর সাফ কথা, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসা উচিত হবে না জুনিয়র চিকিৎসকদের। কেন না, এই আন্দোন চলছে অরাজনৈতিকভাবেই। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের মূল্যবান পরামর্শও দিলেন শুভেন্দু।

শুভেন্দু বলেন, বিচক্ষণ চিকিৎসকরা দৃঢ়চেতা মনোভাব নিয়ে লক্ষ্যে অবিচল। মেরুদণ্ড সোজা রেখে তাঁরা যে লড়াই করছেন গোটা বাংলার মানুষ তাঁকে স্যালুট জানায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাইনরিটি মুখ্যমন্ত্রী। লোকসভা ভোটে ৪৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এ রাজ্যের ৫৪ শতাংশ মানুষ তাঁর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। সেই ভোট ভাগ হয়েছে, ৩৯ শতাংশ পেয়েছে বিজেপি।
এরপরই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, অরাজনৈতিকভাবে আন্দোলন চলছে। তাই দাদা হিসেবে জুনিয়র চিকিৎসকদের আমার পরামর্শ, মুখ্যমন্ত্রী যেহেতু রাজনৈতিক ব্যক্তি, তাই তাঁর সঙ্গে বৈঠক করা উচিত নয়। এটা আমার পরামর্শ। সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা। যাঁরা দক্ষ, মেধা ও বুদ্ধি রয়েছে, সচেতন, দেশপ্রেমী, উচ্চশিক্ষিত। এমবিবিএস মেধা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁরা আমাদের জীবনরক্ষাকারী।
শুভেন্দুর কথায়, ওঁরা আন্দোলন রাজনীতির বাইরে রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক ব্যক্তি। তিনি হুমকি, ধমক দিয়েছেন, দেখে নেব বলেছেন। চাইলে এফআইআর করতে পারিও বলেছেন। তবে সমস্যা মেটানো যায় আলোচনার মাধ্যমেই। সে কারণে আমার পরামর্শ মুখ্য সচিব বা সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপাল মহোদয়ের মধ্যস্থতায় বৈঠকে বসুন।
গত ৪ সেপ্টেম্বর আরজি কর কাণ্ডে নাগরিক সমাজের মিছিলে আক্রমণ করেছিল তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তার প্রতিবাদে এদিন মাথাভাঙায় পদযাত্রা ও মিছিলে নেতৃত্ব দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এখানকার তৃণমূলের একজন আমাকে মেসেজ করে বলেছিলেন বেশি সিকিউরিটি নিয়ে আসতে। আমি উত্তর দিয়েছি, আমি যেখানে থাকব সেখানে এসে দাঁড়াতে।
শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের অবস্থা পুলিশ বাবা পার করেগা। পুলিশ না থাকলেই এঁদের পিঠের চামড়া খুলে ডুগডুগি বাজাতে ১ মিনিট লাগবে না। কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দ মীনা কারসাজি করে নিশীথ প্রামাণিককে হারিয়েছেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, নিশীথই সাংসদ ছিলেন, আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।
মুখ্যমন্ত্রীর উৎসবে ফেরার ডাকের সমালোচনা করে শুভেন্দু এদিন বলেন, উনি কে বাঙালির ঠিকা নেওয়ার জন্য? পিতৃপক্ষে কোনও শুভ কাজ হয় না। যাঁদের বাবা-মা গত হয়েছেন তাঁরা গয়ায় পিণ্ডদান করতে যান। তখন উনি পুজোর উদ্বোধন করেন। সনাতনী হিন্দুরা জানেন পুজো কী। তাঁরা শাস্ত্র মেনে সংকল্প রাখেন, অষ্টমীতে অঞ্জলি দেন, নবমীতে আরতি হয়, দশমীতে সিঁদুর খেলা হয়। মুখ্যমন্ত্রী হিন্দু ধর্মকে ধ্বংস করতে চাইছেন। উনি পুজোকে উৎসবে পরিণত করতে চান। সুপ্রিম কোর্টের শুনানি দেখে মানুষ ঠিক করবে পুজোয় কী করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications