RG Kar Incident: ১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে শুরু হয়নি আন্দোলনরত চিকিৎসকদের বৈঠক, জটিলতা কোথায়?
RG Kar Incident: পেরিয়ে গেল ১ ঘণ্টা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে এখনও শুরু হলো না আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের বৈঠক।
জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, লাইভ স্ট্রিমিং বা দ্বিপাক্ষিক ভিডিওগ্রাফির শর্ত মানতে রাজি হচ্ছে না রাজ্য সরকার। বৃষ্টিতে ভিজেই অপেক্ষায় আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।

আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন সল্টলেকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের ধর্নামঞ্চে। এরপর নিজেরা বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়ে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা ই-মেল করেন। নবান্ন থেকে বলা হয় কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠক হবে।
১৫ জন প্রতিনিধিকে যেতে বলা হলেও নবান্নের মতো এদিন কালীঘাটে যান ৩০ জন প্রতিনিধি। সঙ্গে দুজন ভিডিওগ্রাফার। যদিও ভিডিওগ্রাফারদের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢোকার অনুমতি মেলেনি। আন্দোলনরত চিকিৎসকরা স্বচ্ছ্বতার জন্য লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবিতে অনড় ছিলেন।
যদিও মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা জানিয়ে দেন, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয়। আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা প্রস্তাব দেন, দ্বিপাক্ষিক ভিডিওগ্রাফির। যেখানে তাঁদের ভি়ডিওগ্রাফাররা থাকবেন। বৈঠকের পর তাঁদের যেন ভিডিও ফুটেজ দিয়ে দেওয়া হয়।
যদিও রাজ্য সরকার এই দাবিও মানেনি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোনও পক্ষের চিঠিতেই লাইভ স্ট্রিমিংয়ের উল্লেখ ছিল না। আমার উপ আস্থা রাখুন। ভিডিওগ্রাফি করা হবে। তবে যেহেতু মামলাটি বিচারাধীন, ফলে মামলার নিষ্পত্তি হলেই ভিডিও ফুটেজ পরে আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীকে এমনও বলতে শোনা গিয়েছে, আগের দিনও ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। যেটা চলছে তাতে আমাকে অসম্মান করা হচ্ছে। স্বচ্ছ্বতা বজায় রেখে সদর্থক বৈঠকের আহ্বান জানালে আন্দোলনকারীরা পাল্টা বলেন, আমরাও আলোচনা চাই। তবে স্বচ্ছ্বতা বজায় রেখে। কিন্তু জটিলতা থেকে যায় লাইভ স্ট্রিমিং ও ভিডিওগ্রাফির দাবি নিয়ে।
আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের দাবি, তাঁদের ছবি তোলা হলেও তাঁদের ভিডিওগ্রাফারদের ছবি তুলতে দেওয়া হচ্ছে না। এই দাবি না মানলে তাঁরা যে বৈঠক করবেন না তা বুঝিয়ে দেন। তাঁদের কথায়, এখানে মুখ্যমন্ত্রীকে অবিশ্বাসের প্রশ্ন নেই। আন্দোলনরত অন্যান্য চিকিৎসক, সাধারণ মানুষের কাছেও বৈঠকের বিষয় তুলে ধরতে এই দাবি করা হচ্ছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা যদি বৈঠক না করেন তাহলে একটু ভিতরে এসে চা খেয়ে যান। ১৫ জনকে আসতে বলা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বেশি সংখ্যায় এসেছেন। বসার জায়গার অভাব থাকে বাড়িতে। বৃষ্টিতে ভিজবেন না। যাঁরা ভিজেছেন তাঁদের জন্য জামা-কাপড়ের ব্যবস্থা করছি। যদিও সেই প্রস্তাব নাকচ করে বাইরেই অপেক্ষমান আন্দোলনকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications