বিদ্যুৎ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না নিজেই, সংযোগ ফেরা নিয়ে অনিশ্চিত খোদ শোভনদেব
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের জেরে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, ঠিক কবে বিদ্যুৎ পরিষেবা ফইরে আসবে, তা বলতে পারলেন না স্বয়ং বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও। যদিও তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য বিপর্যস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত কাজ চলছে।

অন্ধকারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
আম্ফানের তাণ্ডবের পর থেকেই অন্ধকারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এদিকে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা সূত্রে খবর, বিদ্যুতের লাইনে অসংখ্য গাছ পড়েছে। উপড়েছে বহু টাওয়ার, বিদ্যুতের খুঁটি। বসে গিয়েছে অসংখ্য সাবস্টেশন। ছিঁড়েছে হাই-টেনশন ও লো-টেনশন তার। এমনকী একাধিক জায়গায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে আশার আলো দেখাতে পারলেন না স্বয়ং বিদ্যুৎমন্ত্রীও।

বাংলার গ্রামীণ অঞ্চলে দ্রুত কাজ হচ্ছে
এই বিষয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, 'বাংলার গ্রামীণ অঞ্চলের ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত কাজ করতে পারছি। রিপোর্ট ভালো আসছে। অন্যান্য সময় এই ধরনের সমস্যা হলে অভিযোগে আমার মাথার চুল উঠে যায়। কিন্তু এবার বরং ভালো রিপোর্ট পাচ্ছি। পশ্চিম মেদিনীপুর ও অন্যান্য জেলা থেকে খুব ভালো খবর আসছে।'

কলকাতা নিয়ে আশার আলো দেখাতে পারলেন না বিদ্যুৎমন্ত্রী
তবে কলকাতা নিয়ে খুব একটা আশার আলো দেখাতে পারলেন না বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'কলকাতার বিষয় আলাদা। কলকাতার অবস্থা ততটা ভালো নয়। কারণ, কলকাতায় তার লাগানোর লোক ও গাছ কাটার লোক আলাদা। কিন্তু জেলায় একসঙ্গেই কাজ করছে। জেলাগুলোতে দ্রুততার সঙ্গে ঠিক করার চেষ্টা চলছে । তবে সময়টা এখনিই নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।'

বিদ্যুৎ-কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না মন্ত্রী
এই সমস্যা হওয়ার কারণ কী? জিজ্ঞাসা করাতে শোভনদেব বলেন, 'মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রায় সর্বত্র বিচ্ছিন্ন। বিদ্যুৎ-কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। বণ্টন সংস্থার আধিকারিকেরাও রিপোর্ট দিতে পারছেন না। রাজ্য জুড়ে বিদ্যুৎ দফতরের প্রতিটি কর্মী প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করছে। বেশ কিছু জায়গায় পরিষেবা স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে। বাকি অংশেও তা দ্রুত স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।'












Click it and Unblock the Notifications