Recruitment Scam: অবৈধ উপায়ে চাকরি পাওয়া ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশিত, তৃণমূল নেতাদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য
Recruitment Scam: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। এঁরা প্রত্যেকেই ২০১৬ সালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু তদন্তে দেখা গিয়েছে প্রত্যেকেই অবৈধভাবে চাকরি পান।
স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের চাকরি গেল। কেউ কেউ আইন ব্যবস্থার উপর আস্থা রেখে দেখতে চাইছেন ঘটনা পরম্পরা কোন দিকে যায়। তবে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য, এই তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা-নেত্রীর।

ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকায় সাহিনা সুলতানার নাম থাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি খানাকুলের মাইনানের বাসিন্দা। অভিযোগ, ফাঁকা ওএমআর শিট জমা দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন তিনি। প্রথমে বাঁকুড়ার একটি স্কুলে চাকরি করতেন। পরে চলে আসেন রাজহাটী বন্দর হাই স্কুলে। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে খানাকুল থেকে জেলা পরিষদের ৪৫ নম্বর আসন থেকে জিতেছেন।
সাহিনার নাম রয়েছে ৬০৯ নম্বরে। ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল করেন। ২০১৩ সালে হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ হন। ২০১৮ সাল অবধি সেই পদে থাকাকালীনই চাকরি। সাহিনার কথায়, আমি এসএসসি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি ওই বছরই আপার প্রাইমারি পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হই। কেন্দ্রীয় সরকারের আর্মি পাবলিক স্কুলের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়েছি।
সাহিনা বলেন, গোটা বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। কেউ বলতেই পারেন, তৃণমূল করার সুবাদে রাজ্য সরকারের চাকরি পেয়েছি। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের পরীক্ষাতেও তো আমি উত্তীর্ণ হয়েছি। ফলে সব কিছু নিয়েই তদন্ত হোক। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সাইনা জেলা পরিষদে সাধারণ সদস্য হিসেবে ছিলেন। এবারও ভোটে জিতেছেন। কিন্তু তারই মধ্যে অস্বস্তিতে ফেললেন দলকে।

এসএসসি প্রকাশিত তালিকায় ৮৮৫ নম্বর স্থানে নাম রয়েছে ত্রিগুণারঞ্জন বারিকের। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের হাঁসচড়া এমডি হাই স্কুলের বায়োলজির শিক্ষক। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এই ব্যক্তি। ওই তৃণমূল নেতা প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ।
তৃণমূলের চণ্ডীপুর ব্লক সভাপতি স্নেহাংশু পণ্ডিত বলেন, আমি ওই সময় দলের পদে ছিলাম না। তবে জানি শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ এক ব্লকের নেতাকে ধরেই তিনি চাকরি পান। যিনি এই চাকরি করে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর তিনিও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যান। ফলে তদন্তের আওতায় তাঁদেরও আনা হোক। বিজেপির পাল্টা চ্যালেঞ্জ, এমন প্রমাণ থাকলে তাঁরা তা আদালতে জমা দিন।












Click it and Unblock the Notifications