বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আব্বাসের মহাজোটের সম্ভাবনা সেই তিমিরেই, রফা-সূত্র অধরাই
জোটের জট কাটেনি। বরং জট আরও জটিল হয়েছে। ব্রিগেডের সমাবেশে এই জোটের জটে কাঁটা ছড়িয়ে দিয়েছেন আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকি। তিনি ব্রিগেডের মহামঞ্চে দাঁড়িয়ে শরিকদল কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে সাফ জানিয়ছেন, কাউকে তুষ্ট করতে আসিনি।
জোটের জট কাটেনি। বরং জট আরও জটিল হয়েছে। ব্রিগেডের সমাবেশে এই জোটের জটে কাঁটা ছড়িয়ে দিয়েছেন আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকি। তিনি ব্রিগেডের মহামঞ্চে দাঁড়িয়ে শরিকদল কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে সাফ জানিয়ছেন, কাউকে তুষ্ট করতে আসিনি। তারপর ফের খোঁচা ভোটের পর উঁচু পদের বিনিময়ে সমর্থন করবে দিদি বা মোদীকে।

আব্বাসের কথাকে সমর্থন করে না বামেরা
আব্বাসের এই দুটি বোমাতেই জোটের বেহাল অবস্থা। যার জেরে তড়িঘড়ি বিধান ভবনে গিয়ে বৈঠকে বসতে হয়েছে বিমান বসুকে। অধীর চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়েছে, আব্বাসের কথাকে তাঁরা সমর্থন করেন না। বাম-কংগ্রেস জোট না ২০১৯-এর মতোই ভেস্তে যায় এমন পরিস্থিততে অধীরের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বিমান বসুরা।

জোট নিয়ে সবুজ সংকেত অধীরের, তবু জট
আব্বাসের কথায় সায় নেই বিমান বসুর। তা জানানোর পর জোট নিয়ে সবুজ সংকেত দেন অধীর চৌধুরীও। তিনি জানান, কংগ্রেস ৯২টি আসন সুরক্ষিত করতে পেরেছে। আমরা হয়তো আরও তড়িৎ গতিতে সবকিছু নির্ণয় করে আসন সংখ্যা বাড়াতে পারতাম। তিনি আশা করেন এই ৯২টি আসনে কংগ্রেস জয় পেতে সক্ষম।

বিমান-অধীরের পরিসংখ্যানে বিস্তর ফারাক
এরপর আবার বিমানের কথায় জোটের আসনরফার বিষয়ে মতানৈক্য স্পষ্ট হয়। বিমান বসু বলেন, কংগ্রেসের জন্য আপাতত ৮০টি আসন ছাড়া হচ্ছে। দুজনের পরিসংখ্যানে ফারাক নিয়ে ফের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। দুই শরিকের সম্পর্ক এরপরও মসৃণ থাকলেও, আব্বাসকে নিয়ে তাঁদের গতিবিধি কী হবে, সেই সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মহাজোটের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে
আব্বাস এই আসন ভাগাভাগি নিয়ে কড়া অবস্থানেই রয়ে যাচ্ছেন। রাজ্যের মুসলিম অধ্যুছিত সব কেন্দ্রে নিজেদের প্রার্থী দিতে চায় তারা। এর মধ্যে মালদহ, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাও রয়েছে। কংগ্রেসও এককাট্টা এই দুই জেলায় তাঁরা কোনও আসন আব্বাসকে ছাড়বেন না। সেক্ষেত্রে মহাজোটের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে তলিয়ে যেতে বসেছে।












Click it and Unblock the Notifications