লকডাউনকে বুড়ো আঙুল! নববর্ষে আসানসোলের বাজারে মানুষের ঢল
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে একমাত্র উপায় লকডাউন। এই কারণেই এদিন ২১ দিনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ঘোষণাই সার। লকডাউন মানছেন না রাজ্যের মানুষরা। নববর্ষের দিনে এমনই চিত্র উঠে এল আসানসোলের বাজার থেকে।

লকডাউনে ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গ
কষ্ট হলেও সাধারন মানুষ চেষ্টা করছেন, যতটা সম্ভব কম বাইরে বেরোনো যায়। তবে সাধারণ মানুষের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা চালু রাখার কথা ঘোষণা করেছে সব সরকার। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে মানা হলেও, ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গ। এর আগে এই নিয়ে কেন্দ্রের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে।

প্রশাসনের গা ঢিলেমি
প্রথমদিকে এই লকডাউন ভঙ্গের জন্য পুলিশ প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিলেও, যত দিন যাচ্ছে, ততই প্রশাসনের গা ঢিলেমি মনোভাব সামনে আসতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। মিষ্টির দোকান থেকে ফুলের বাজার খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। যা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়। এদিকে এই পরিস্থিতিতেই আজ আসানসোলের বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় মানুষের ঢল।

নববর্ষের বাজারে ভীড়
এমনিতে বাজারে আজকের দিনে মানুষের ভীড় থাকবে তা স্বাভাবিক। নববর্ষ বলে কথা। তাই বলে করোনা ভআইরাসের সংক্রমণের মতো মহামারীকে তোয়াক্কা না করে এই ভীড় অবাক করেছে বিশেষজ্ঞদের। পাশাপাশি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

কেন্দ্রের চিঠিতেও উদাসীন রাজ্য প্রশাসন
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে পাঠানো সেই চিঠি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই রাজ্য সরকার কেন এই লকডাউনকে সফল করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করে প্রশ্ন। ফুলের বাজার খোলা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। সেই তাঁরই শহরে এরম দৃশ্য নিয়ে অবশ্য এখনও কিছু বলেননি মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications