মমতা চাওয়াতেই দলের মুখ অভিষেক! তিনি সবসময়ই সৈনিক, বৈঠকের পরে আর কোন প্রতিক্রিয়া পার্থর
মমতা চাওয়াতেই দলের মুখ অভিষেক! তিনি সবসময়ই সৈনিক, বৈঠকের পরে আর কোন প্রতিক্রিয়া পার্থর
শনিবারই তৃণমূলের (trinamool congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (abhishek banerjee)। এদিন তিনি সরাসরি চলে গেলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (partha chatterjee) বাড়িতে। সেখানে তাঁরা ঘন্টা দুয়েক আলোচনা করেন। আশীর্বাদ নিতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। পাল্টা পার্ছ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, অভিষেকের সঙ্গে আশীর্বাদ থাকেই।

পরীক্ষিত নেতা অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ছোট বেলা থেকেই অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্কের কথা সবাই জানে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এতদিন ধরে পরীক্ষিত নেতা। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। সাংগঠনিক কাজে সাহায্য করেছে। সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষে প্রযুক্তিগত দিক থেকে দলকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছে। তাঁর সঙ্গে এদিন সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

নির্বাচনের পরে মমতার পরেই দলের মুখ
২০২১-এর নির্বাচনের পরে মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরে অভিষেকই দলে একমাত্র মুখ, বলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সারা বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে একনাগাড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মানুষের পাশে থেকে ভরসা জুগিয়েছে, আস্থা জুগিয়েছে। যার পরিণতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দলের জাতীয় কর্ম সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলের সৈনিক হিসেবে থাকব
পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি আগেও যেমন ছিলেন, এখনও সেরকমই দলের সৈনিক হিসেবে থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে লড়াই আরও শক্তিশালী হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার বাইরের রাজ্যগুলিতে যাতে বিস্তার লাভ করতে পারে, সেদিকে নজর দিতে। সেই মতো কাজ হয়েছে।

প্রশাসন ও দলের সমন্বয় নিয়ে আলোচনা
পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রশাসন ও দলের মধ্যে সমন্বয় নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দলের অনেক প্রবীন নেতার বাড়িতেই যেতে যান অভিষেক বন্দ্যাপাধ্যায়। বিশেষ করে সুব্রত বক্সি এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়ার কথা শোনা গিয়েছে। তাঁর ওই পদক্ষেপকে নবীন-প্রবীনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications