Panchayat Election 2023: মমতার গ্রেফতারিতে বাংলার পরিত্রাণ, দাবি শুভেন্দুর! পঞ্চায়েতগুলিকে টাইট দেওয়ার প্ল্যান
Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেদার ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ আসছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা খুন হয়েছেন। মৃত ও আহতের সংখ্যা বাড়ছে। বোমা-গুলিতে ভোটের আবহ রীতিমতো তপ্ত।
নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ভোট পরিচালনায় আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করেছে কমিশন। যাবতীয় তথ্য নিয়ে আদালতেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন তিনি।

পঞ্চায়েতগুলিতে যে নতুন বোর্ড গঠন হবে তাকেও টাইট দেওয়ার প্ল্যান ছকছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, অবৈধ নির্বাচনে গঠিত বোর্ড যাতে কেন্দ্রের টাকা না পায় তার ব্যবস্থা করব। একশো দিনের কাজের টাকা বন্ধ করেছে কেন্দ্র, চুরি বন্ধ করতে। আবাস যোজনার টাকা যাতে চুরি করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করব।
শুভেন্দু এদিন দিল্লির নেতৃত্বের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, আমি বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে এসেছি। সেই লক্ষ্যে অবিচল। কালীঘাট চলো, যতই গুলি চলুক, ইটগুলো খুলে নিয়ে আসি। আমিও যাব। দিল্লির কে কী ভাবল তা নিয়ে ভাবি না। পতাকা নিয়ে বা পতাকা ছেড়ে গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই জারি থাকবে।

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশমন্ত্রী বলে তৃণমূলীরা আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ঝাঁপিয়েছে। খুন করো, ধর্ষণ করো, লুঠ করো, ছাপ্পা মারো, সাংবাদিকদের পেটাও, বিরোধীদের খুন করো, যা খুশি করছে। ফলে যতক্ষণ না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে জেলে ঢোকানো যাচ্ছে, ততদিন বাংলার মানুষের পরিত্রাণ নেই।
শুভেন্দুর কথায়, এই পরিস্থিতি সামলাতে সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করা যায়। রাজ্যপাল তা করেন না। ভারত সরকার কী ভাবছে সেটাও জানি না। তবে এখানে যা অবস্থা তাতে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করতে ৩৫৬ ধারা বা ভোটের আগে ৩৫৫ ধারা জারি করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করা প্রয়োজন। না হলে নির্বিঘ্নে ভোট হতে পারে না।

রাত থেকেই কাঁথির বাড়ি থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে তৃণমূলীরা ছাপ্পা মারছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজও ভেকুটিয়ায় বিরোধীদের এজেন্ট বসতে দেওয়া হয়নি। এক গুন্ডা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বুথ লুঠ করার পর হিন্দু ভোট লুঠ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শুভেন্দু মিড ডে মিলের টাকায় গরমিলের অভিযোগে সরব হয়ে দাবি করে বলেন, শিক্ষা দফতরের সচিব মণীশ জৈন এবং সব বিডিও, ডিএম জেলে যাবেন। চোরেদের আস্তানা হবে জেল। তিনি বলেন, কোর্ট মনিটরিং নির্বাচন হচ্ছে। কিন্তু আদালতের নির্দেশ মানতে হচ্ছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোট পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের প্রিসাইডিং অফিসার করা হয়েছে।
সিসিটিভি রাখা হয়নি, ভিডিওগ্রাফি হয়নি বলেও দাবি শুভেন্দুর। আদালতে পঞ্চায়েত মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে তিনি যাবতীয় তথ্য তুলে ধরে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানান বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায় রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত না হওয়ায় তিন দফায় ভোট করানো যেতে পারতো।
তৃণমূলের বিবৃতিকে পাত্তা না দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ১২ হাজার টাকা পাওয়া আইপ্যাক কর্মীদের দিয়ে বিবৃতি দেওয়ানো হচ্ছে। লটারি-সহ চুরির টাকায় তাঁদের বেতন দেওয়া হয়। ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে আমার পুরানো ভিডিও ছাড়া হয়েছে। ২০১৮ সালে আমি তৃণমূলে থাকাকালীন তৃণমূলে ভোট দিতে বলেছিলাম। এতে বোঝা যাচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে কাজ হয় না। তাই আমার ভিডিও লাগে।












Click it and Unblock the Notifications