মোর্চার বিরুদ্ধেই মিছিল বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর! বনধ শিথিলেও তপ্ত পাহাড়
বনধ শিথিলেও থমথমে পাহাড়। ইদের কারণ দর্শিয়ে বনধ শিথিল করা হলেও শান্তির দাবিতে পাহাড়ে একাধিক মিছিল অন্য বার্তা দিচ্ছে।
বনধ শিথিল হলেও ইদের দিনে থমথমে পাহাড়। একদিকে মোর্চার মিছিল, অন্যদিকে রুট মার্চ সেনা-পুলিশের। পাহাড়ে শান্তির দাবিতে মিছিল করল খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। মিছিল করে পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর ডাক দিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীরাও।
গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার জঙ্গি আন্দোলনে ৯ জুন থেকে জ্বলছে পাহাড়। ১২ জুন থেকে শুরু হয়েছে মোর্চার অনির্দিষ্টকালীন বনধ।
মোর্চার বনধের ১৫ তম দিনে ১২ ঘণ্টার জন্য বনধ আংশিক শিথিল হলেও, একেবারেই স্বাভাবিক অবস্থা ফেরেনি পাহাড়ে।
পাহাড়ে শান্তির পরিবেশ তো নেই-ই, সবসময় থমথমে এলাকা। এদিন ইদের কারণ দেখিয়ে বনধ শিথিল করা হয়। কিন্তু পিছনে যে অন্য কারণ রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে যায় বনধ শিথিলের দিন শান্তির দাবিতে পাহাড়ে একাধিক মিছিলে।

পাহাড়ে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে মোর্চার ডা্কা অনির্দিষ্টকালীন বনধ নিয়ে। ক্রমশই জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। আর তার প্রমাণ- পাহাড়ের বুকেই এবার শান্তি মিছিল করল খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। পথে নামলেন প্রাক্তন সেনাকর্মীরাও। তাঁরা মিছি্ল করে পাহাড়ে বনধ প্রত্যাহারের দাবি তুললেন। পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সরব হলেন।
পাহাড়ের মানুষজন যে এই বনধ ভালো চোখে দেখছেন না, তা বুঝতে পারছেন বিমল গুরুংও। তাঁর পায়ের তলার মাটি ক্রমশ সরে যাচ্ছে। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। এদিন আবার চকবাজার থেকে সিংমারি পর্যন্ত রুটমার্চ করে সেনা। পুলিশও অংশ নেয় এই রুটমার্চে। তিন আইপিএস অফিসার ছিলেন রুটমার্চের নেতৃত্বে। সিংমারিতে মোর্চার অফিস পর্যন্ত এই রুটমার্চ হয়।
মোর্চা শনিবার রাতেই ফের তাণ্ডব শুরু করেছিল। ১০টি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রাম্মাম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রশাসন তখনই অভিুক্তদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। এদিন সেই হুঁশিয়ারি দিতেই রুটমার্চ করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications