সংখ্যালঘুদের দলে টানছে বিজেপি, মুর্শিদাবাদের ৮ পঞ্চায়েত সদস্যকে যোগদান করালেন শুভেন্দু
বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে কৌশল বদলাচ্ছে বিজেপি। সংখ্যালঘু ভোটের দিকে তারা ঝুঁকতে শুরু করছে। পঞ্চায়েত ভোটের পরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর রিপোর্টে অমিত শাহকে জানিয়েছিলেন বাংলায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাঙন ধরেছে।
এবার তৃণমূলের সেই সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। মুর্শিদাবাদের ৮ জন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য এদিন যোগ দিলেন বিজেপিতে। মাইনোরিটি মোর্চার মাধ্যমে তাঁরা এদিন বিজেপিতে যোগদান করেন। কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে তাঁরা বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেয় এদিন।

মুর্শিদাবাদের ভরতপুর ১ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের সদস্যরা এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন। যোগদানকারী সদস্যদের নাম লালু শেখ, আলম শেখ, সহিদুল্লা শেখ, মহিউদ্দিন শেখ, আশাদুল্লা শেখ ও গোলবদন মাঝি। আট জনের মধ্যে সাতজনই সংখ্যালঘু সদস্য এবং একজন পঞ্চায়েত সদস্য হিন্দু।
শুভেন্দু অধিকারীর তাঁদের যোগদান করিয়ে বলেন, আমাদের দলে হিন্দু ও মুসলিম কোনও ভেদাভেদ নেই। সবার জন্য দুয়ার খোলা। আর শুধু সাত জন পঞ্চাযেত সদস্যই নন, তাঁদের সঙ্গে ২০ হাজার পরিবারও বিজেপির পতাকা তলায় এসেছে। তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন, তাঁরা সংখ্যালঘুদের নিয়েই এবার দল সাজাবেন। ৩০ সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের দিকে না তাকিয়ে ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোটব্যাঙ্কের ভরসায় এতদিন জয়ের কড়ি জোগাড়ের চেষ্টা করে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীরা। এবার সংখ্যলঘুদের নিয়ে যুদ্ধ জয়ের কৌশল নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি।
সেই লক্ষ্যে সংখ্যালঘুদেরও দলে টানার চেষ্টা করছে বিজেপি। তৃণমূলের কোন্দল কাজে লাগিয়ে তাঁরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে কাছে পেতে চাইছে। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে এক বৈঠকে সংক্যালঘু মহিলাদের টার্গেট করার কথা বলেন। রক্ষা বন্ধন উৎসবে করা সৌহার্দ্যের বন্ধনে তাঁদের বাঁধতে তিন তালাক আইনের সুবিধার কথা প্রচার করার কথা জানান তিনি।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাদের পার্টি সবকা সাথ সবকা বিকাশের পার্টি। ফলে এখানে সবার সমান জায়গা। এদিন বাংলার সরকারের সমালোচনায় তিনি রাতের পশ্চিমবঙ্গের কথা তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, রাতেরবেলা ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেখে আসুন। রাতের পশ্চিমবঙ্গ ও পুলিশের 'তোলা' আদায় কোথায় নিয়ে গিয়েছে বাংলাকে। উত্তরবঙ্গেও একই অবস্থা। এমনকি অসম বর্ডার এও একই। সব জায়গাতে 'তোলা' আদায় আর টাকা। তিনি এদিন বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ দাবি করেন।
-
'৪মের পরে তৃণমূলের সব পাপের হিসাব হবে', কোচবিহারের জনসভা থেকে অলআউট আক্রমণে প্রধানমন্ত্রী মোদী -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
উত্তরের কোচবিহার দিয়ে নতুন করে বাংলায় ভোটপ্রচার শুরু প্রধানমন্ত্রী মোদীর -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের









Click it and Unblock the Notifications