সারদা মামলায় সুদীপ্ত সেনকে গ্রেফতারে সাহায্য এক মহিলার! নাম 'ফাঁস' সিবিআই-এর
২০১৩ সালে কলকাতা থেকে সড়ক পথে পালানোর পর বেশ কয়েকদিন নিরুদ্দেশ ছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। সঙ্গে ছিলেন সহকারী দেবযানী মুখোপাধ্যায় এবং সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলসের অরবিন্দ সিং চৌহান।
২০১৩ সালে কলকাতা থেকে সড়ক পথে পালানোর পর বেশ কয়েকদিন নিরুদ্দেশ ছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। সঙ্গে ছিলেন সহকারী দেবযানী মুখোপাধ্যায় এবং সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলসের অরবিন্দ সিং চৌহান। একইসঙ্গে কাশ্মীর থেকে ধরা পড়েন তাঁরা। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই সময় দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা সিবিআইকে সাহায্য করেছিলেন নিজের মেয়ে-সহ এই তিনজনের খোঁজ পেতে।

২০১৩ সালে কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার সুদীপ্ত সেন
২০১৩ সালে সারদা কাণ্ডে হঠাৎই নিরুদ্দেশ হয়ে যান সুদীপ সেন। সঙ্গে ছিলেন সহকারী দেবযানী মুখোপাধ্যায় এবং সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলসের অরবিন্দ সিং চৌহান। কলকাতা থেকে তারা সড়ক পথে পৌঁছে যান কাশ্মীরে। প্রথমে রাঁচি পর্যন্ত গিয়ে গাড়ির চালককে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর হরিদ্বার, দেরুদুন, পঞ্জাব হয়ে কাশ্মীর। তবে সেখানেও বেশদিন থাকতে পারেননি তারা। সিবিআই ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মাকে। তিনিই হদিশ দেন কাশ্মীরের সোনমার্গে থাকা সুদীপ্ত সেনের। পরে সেখানে থেকেই ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে কলকাতায় আনা হয়।

হদিশ নেই লাল ডায়েরির
কলকাতায় আসার পরেই অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই সময় দেবযানী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন লাল ডায়েরির কথা। সারদার লেনদেন সংক্রান্ত সব তথ্যই লেখা থাকত সেই ডায়েরিতে। পরবর্তী সময়ে দেবযানী মুখোপাধ্যায় সিবিআইকে জানিয়েছিলেন সেই লাল ডায়েরি তিনি সিটের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সিবিআই-এর অভিযোগ সিটের তরফ থেকে লাল ডায়েরি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। সেই সময় সিটের নেতৃত্বে ছিলেন বিধাননগরের তৎকালীন সিপি রাজীব কুমার।

সন্দেহের তালিকায় রাজীব কুমার
পরবর্তী সময়ে সিবিআই তদন্তে উঠে এসেছিল একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম। কিন্তু প্রমাণ জোগার করতে হিমশিম খেতে হয় সিবিআইকে। সেইসময়ই উঠে এসেছিল রাজীব কুমারের নাম। সেই থেকে রাজীব কুমারকে নাগালে পেতে চাইছে সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications