বিজেপি বিধায়কের উদ্যোগে আদিবাসী-সংখ্যালঘু দুস্থদের ভোজন, লকডাউনে মানুষের পাশে
বিজেপি বিধায়কের উদ্যোগে আদিবাসী-সংখ্যালঘু দুস্থদের ভোজন, লকডাউনে মানুষের পাশে
করোনা লকডাউনের জেরে দিনমজুর-ক্ষেতমজুরের কাজ বন্ধ। টান পড়েছে রুজি-রুটিতে। খাবার জুটছে না গ্রামের দুস্থ-গরিবদের। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন বিধায়ক। নিজে হাতে রান্না করে খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। তাঁর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এলাকাবাসী। বিধায়ককে মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদও করেন প্রবীণরা।

বিধায়কের উদ্যোগে ভোজন
বিধায়কের উদ্যোগে গ্রামের আমবাগানে উনুন করে রান্না করা হয়। খুন্তি নাড়া থেকে পরিবেশন- সব নিজে হাতে করেন বিধায়ক। সঙ্গী-সাধীদের নিয়ে তিনি দুস্থ মানুষদের পেট পুরে খাওয়াতে মনস্থ করেন। লকডাউনের মধ্যে তিনি আদিবাসী দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্রত নেন এভাবেই।

এর আগে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিলি
এর আগেও তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে মাস্ক, স্যানিটাইজার বিলি করেন। বিজেপি বিধায়ক হয়েও তিনি তৃণমূলকর্মীদের হাতে তুলে দেন মাস্ক, স্যানিটাইজার। তাঁদের সতর্ক করেন, সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন। এবার তিনি আদিবাসী মানুষদের খাবারের বন্দোবস্ত করেন।

আদিবাসী, সংখ্যালঘু, পারুই সম্প্রদায়ের মানুষকে খাওয়ালেন
এলাকার দুস্থ মানুষেরা বারবার খাবারের অভাবের কথা জানিয়েছিলেন বিধায়ককে। তাই তিনি দরিদ্র মানুষশের মুখে একবেলা অন্ন তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেন। নিজের উদ্যোগে চাল, ডাল, আলু, তেল এনে রান্না করে খাওয়ান আদিবাসী, সংখ্যালঘু, পারুই সম্প্রদায়ের মানুষকে। রবিবার থেকে খাওয়ানো শুরু করেন তিনি।

লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত দুস্থদের খাওয়াবেন
বিধায়ক জানিয়েছেন, লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত দুস্থদের খাওয়াবেন। রবিবার গঙ্গানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অম্বিকাপুর গ্রামে খিচুড়ি ভোজন করালেন। প্রায় ৮০০ পরিবার এখানে খাদ্যগ্রহণ করে। সোমবার তিনি আকাইপুর পঞ্চায়েত এলাকায় তিনি খাবারের বন্দোবস্ত করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই তিনি খাওনোর বন্দোবস্ত করেন বলে জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications