Firhad Hakim: মমতাই নেত্রী, দলের শেষ কথা, সুব্রত বক্সীর পাশে দাঁড়ালেন ফিরহাদ হাকিম
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নবীন প্রবীণ বিতর্ক চলেছে বছরের প্রথম দিন। দ্বিতীয় দিনেও তার উত্তাপ থাকল। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তাঁর বক্তব্যে অবিচল রয়েছেন। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের শেষ কথা। আরও একবার জোড় গলায় সে কথাই বললেন তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেস দলের মধ্যে কি কোনও বিভেদ রয়েছে? সে কথা মন্ত্রী মানতে চাননি। তবে নতুন করে তাঁর বক্তব্যে বিতর্ক উসকে যাচ্ছে। ফিরহাদ হাকিম নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী বলে রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তে পরিচিত। তিনি নেত্রীর উপরেই আস্থা রাখছেন। পরিষ্কার এই কথাই বুঝিয়ে দিলেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর বক্তব্য নিয়ে রীতিমতো বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। সোমবার শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বৈঠক করতে হয়। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ রীতিমতো সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমদের আক্রমণ করেছিলেন। তাই নিয়ে বিস্তর রাজনৈতিক চাপানউতোর ছিল। মঙ্গলবার সুব্রত বক্সীর পাশেই দাঁড়ালেন ফিরহাদ হাকিম।
তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সী বিভিন্ন জেলার দ্বন্দ্ব মেটানোর লক্ষ্যে জেলা নেতৃত্বকে ডেকে পাঠাচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে দলের অন্দরে বিতর্ক শুরু হয়। এমন কথাই শোনা যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনে লড়াইয়ে ক্ষেত্রেও 'যদি' শব্দটি ব্যবহার করেন। তাই নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠেন। অভিষেক পন্থী হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ সুব্রত বক্সীর বক্তব্য নিয়ে তীব্র সরব হন।
মঙ্গলবার একটি রক্তদান শিবিরে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি সুব্রত বক্সীর পাশেই দাঁড়ালেন। সুব্রত বক্সী দলের সভাপতি। বিভিন্ন জেলার দলীয় দ্বন্দ্ব থেকে শুরু করে সাংগঠনিক বিষয় আলোচনা করার অধিকার তাঁর আছে। এটা তাঁর দায়িত্ব ও কাজের মধ্যেই পড়ে। এই দায়িত্ব পালন করার জন্যই তাঁকে ওই দলীয় পদে রাখা হয়েছে। পরিষ্কার বক্তব্য রাখলেন ফিরহাদ৷
তৃণমূল কংগ্রেসে দলের সাংগঠনিক হ্রাস কি তবে শীর্ষ নেতৃত্বের হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে?এই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, দলের রাশ কোথাও যাচ্ছে না। দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই দলের সাংগঠনিক রাশ ধরা আছে। তাঁর নির্দেশে এবং নেতৃত্বেই দল সংগঠিত ভাবে এগিয়ে চলেছে।
তৃণমূল বড় দল। কিছু সমস্যা আসতেই পারে। তবে দলে কোনও বিতর্ক, বিভেদ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল পুরোপুরি সঙ্ঘবদ্ধ। দল বড় হলে সেখানে আলাপ আলোচনা হবেই। দলের শৃঙ্খলা থাকবে না, এমনটা নয়। এই বার্তাও দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications