Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

জিএসটি সংস্কারে কেন্দ্রের কোনও কৃতিত্ব নেই! রাজ্যের ২০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হলেও মানুষের সুবিধায় খুশি মমতা

আজ থেকে সারা দেশে সংস্কার হওয়া জিএসটি ব্যবস্থা চালু হলো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যাকে জিএসটি বচত উৎসব নাম দিয়েছেন। আজ তিনি ইটানগরে বলেন, উৎসবের মরশুমে মানুষ দ্বিগুণ সুবিধা পেয়েছেন। জিএসটি সংস্কার রান্নাঘরের বাজেট কমিয়ে দেবে, যা মহিলাদের সাহায্য করবে।

যদিও কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধনের ফাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, এটা তাঁদেরই কৃতিত্ব। কেন্দ্রের কোনও কৃতিত্ব নেই।

খিদিরপুর ২৫ পল্লীর পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে মমতা সাংবাদিকদের বলেন, জিএসটি যেটা হয়েছে তাতে সেন্ট্রালের কোনও ক্রেডিট নেই। আমিই প্রথম দাবি জানিয়ে চিঠিতে লিখেছিলাম, বিমায় জিএসটি তুলে নেওয়া উচিত। জিরেতে জিএসটি ছিল, হিরেতে নয়। জীবনদায়ী ওষুধ, ছোট ছোট জিনিসে জিএসটি ছিল। জিএসটিতে কেন্দ্রের এক পয়সা খরচ হতো না। রাজ্যের কোষাগার থেকে গিয়েছে টাকা। ক্রেডিট নিচ্ছেন একজন, আত্মনির্ভরতার কথা বলছেন, বলছি টাকাটা দেবেন তো?

মমতা বলেন, আমরা জিএসটির সংস্কারে খুশি হয়েছি কারণ মানুষ সুযোগ পাচ্ছেন। আমরা বাংলার মানুষের জন্য এটা করেছি। নতুন ব্যবস্থায় ২০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে। এমনিতেই ১ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা বকেয়া। আরও ২০ হাজার কোটি গেল। একশো দিনের কাজ, আবাস, রাস্তা, জল স্বপ্ন, সর্বশিক্ষার টাকা বন্ধ। সাংসার সংসার চালাব কোথা থেকে? তবে মানুষ সুযোগ পাচ্ছেন বলে খুশি। যেখান থেকে হোক আমাদের টাকা জোগাড় করতে হবে। তবে এতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কৃতিত্ব নেই। অন্য পার্টিরও নেই। রাজ্য সরকারগুলির টাকা যাবে। ডাবল ইঞ্জিন সরকারকে তো টাকা দেওয়া হবে ঘুরিয়ে। জিএসটি সংক্রান্ত বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে সত্যটা সামনে আনবেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটির টাকাটাই তো ওদের নয়। মানুষ সুযোগ পেলে আমরা খুশি। মানবিকতা, সামাজিকতার দিকে আমরা গুরুত্ব দিই। ন্যাশনাল সব মিডিয়া তো কন্ট্রোল করা হয়। সব গোদি মিডিয়া। আগে দূরদর্শন ছিল, সেটা এখন গোদি দর্শন। অল ইন্ডিয়া রেডিও এখন গোদি রেডিও। সাত দিন ২৪ ঘণ্টা যা ওরা বলছে মিডিয়া তাই করছে। আমাদের প্রচারের জায়গা তো হাতে গোনা।

বড়িশা ক্লাবের পুজো উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতান অধিকারীর বাবা-মা। তাঁদের চোখের জল ফেলতে দেখে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কষ্ট পাবেন না। তাতে শরীর খারাপ থাকবে। একমাত্র ছেলের মৃত্যুর দুঃখ থাকবেই, কিন্তু আপনাদের এখন লক্ষ লক্ষ সন্তান রয়েছে। আমি নিয়মিত আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। কিছু ঘটলে প্রথম দু-একদিন ছবি তোলার পর অনেকেই তা ভুলে যায়। কিন্তু ৩৬৫ দিন দেখতে হয় তাঁরা ভালো আছেন কিনা, সুস্থ আছেন কিনা, কিছু দরকার কিনা। একুশে জুলাই, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম কবে হয়েছিল। কিন্তু আমরা শহিদদের মনে রাখি। শহিদ পরিবারের সকলকে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচিতে ডাকি। গতকালও জাগোবাংলার অনুষ্ঠানে সিঙ্গুরের শহিদ পরিবারের সদস্যরা হাজির ছিলেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+