‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কথা শুনবেন মানুষের, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই নয়া চমক তৃণমূল সরকারের
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে 'দিদিকে বলো' কর্মসূচি চালু করে জোর ফায়দা তুলেছিল তৃণমূল। ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কপ্রসূত এই কর্মসূচিতে তৃণমূল ফের জনতার দুয়ারে হানা দিতে সক্ষম হয়েছিল। ফের সই একই পন্থা নিয়ে পঞ্চায়েতের আগে চমক দিতে তৈরি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবার 'সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী' কথা শুনবেন মানুষের। বাংলার মানুষ সরাসরি কথা বলতে পারবেন মানুষের সঙ্গে। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বাংলার রাজনীতিতে এই নয়া চমক আনছে তৃণমূল সরকার। পঞ্চায়েতের আগে জনসংযোগ বাড়াতে আরো এক কর্মসূচি শুরু করতে চলেছে নবান্ন।

'দিদিকে বলো' দিয়ে শুরু করে 'বাংলার গর্ব মমতা', হালে 'দিদির সুরক্ষা কবচ', 'দিদির দূত', এমন নানা কর্মসূচিতে মানুষের সঙ্গে সংযোগস্থাপন করা হয়েছিল। তারপর 'দুয়ারে সরকার', 'পাড়ায় পাড়ায় সমাধান' তো ছিলই। তা চলছেও। এবার সেই সকল কর্মসূচির ঊর্ধ্বে গিয়ে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবেন 'সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী' প্রচার কর্মসূচির মাধ্যমে।
জনসাধারণের সমস্যা ও তার দ্রুত সমাধানের জন্য এবার চালু হচ্ছে নতুন এই কর্মসূচি। আমজনতা ও প্রশাসনের মঘ্যে জনসংযোগের হাতিয়ার হিসেবে এই নয়া কর্মসূচি তুলে ধরতে চাইছে নবান্ন। 'দুয়ারে সরকার', 'পাড়ায় পাড়ায় সমাধান' ইতিমধ্যেই জনতার মনে ইচিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার নবান্নের সভাঘর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে পারেন এই কর্মসূচির। 'সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী' কর্মসূচিতে একটি নতুন নম্বর দেওয়া হতে পারে। 'দিদিকে বলো'র মতোই সেই নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করেই মানুষ জানাতে পারবেন তাঁদের সমস্যার কথা।
এই সমস্যার কথা শুনে সমাধান করতে মুখ্যমন্ত্রী অনেক আগেই গ্রিভ্যান্স সেল তৈরি করেছেন। গ্রিভ্যান্স সেলে চিঠি লিখে বা ই-মেল করে সাধারণ মানুষ নিজেদের অভিযোগের কথা জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে। সেই অভিযোগ পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে সমস্যার সমাধান করতে সংশ্লিষ্ঠ দফতরকে সতর্ক করা হয়।

কিন্তু এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুনবেন মানুষের সমস্যার কথা। তা শুনে তিনি সমাধান করবেন। গ্রিভ্যান্স সেলে মানুষের সমস্যার সমাধান করতে দেরি হয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার অভিযোগ করছিলেন। এবার তাই গ্রিভ্যান্স সেলকেই নতুন মোড়কে এনে তিনি সরাসরি মানুষের কথা শুনতে চাইছেন।
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তারপরই হবে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে। এর ফলে পঞ্চায়েত ও লোকসভার আগে জনসংযোগও হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এবাস সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী সমস্যার সমাধান করবেন বাংলার মানুষের।












Click it and Unblock the Notifications