মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই চাকরি দেবেন, বললেন ব্রাত্য, SLST প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক আশাপ্রদ
রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে চাকরির প্রার্থীদের বৈঠক আশাপ্রদ হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছে। দীর্ঘ দু'ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে বৈঠক। আইনি জটিলতা রয়েছে এই মুহূর্তে। সেই সব কাটিয়ে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এমনই দাবি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দেবেন বলে জানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই চাকরি দিতে পারেন। এই কথাও জোর দিয়ে বলেছেন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মাঝে আইনি জটিলতা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টেও মামলা চলছে। আগামী শুনানিতে আদালতে কী বক্তব্য রাখে, তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

রাজ্য সরকার যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের চাকরি দিতে চায়। আগামীর শিক্ষকরা রাস্তায় আন্দোলন করবে। এমন কথা কখনও আশা করে না সরকার। জটিলতা রয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। কিন্তু সেই জট খোলার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চে মামলা চলছে। সমস্ত গতিবিধির দিকে লক্ষ রাখতে হচ্ছে। সরকার চাকরির প্রার্থীদের পাশেই রয়েছে। এমনই জানিয়েছেন ব্রাত্য বসু।
বিকাশ ভবনে দুপুর তিনটের সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজে শনিবার চাকরির প্রার্থীদের কাছে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই ব্রাত্য বসুর সঙ্গে ফোনে কথা হয়। সোমবার চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক হবে। এই সিদ্ধান্ত তৎক্ষণাৎ হয়ে যায়। কুণাল ঘোষকে ওই বৈঠকে থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
চাকরি প্রার্থীদের অনুরোধ উপেক্ষা করেননি কুণাল। তিনি এদিন বেলা তিনটে নাগাদ বিকাশ ভবন এসে পৌঁছন। প্রার্থীদের সাত জনের প্রতিনিধি দল বিকাশ ভবনে এসেছিল। তাদের পাশেই কুণাল ঘোষ বসেন। তিনিও যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছেন এই বিষয়ে। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এই দিনের আলোচনা যথেষ্ট ফলপ্রসূ। এই বক্তব্য শোনা গিয়েছে চাকরি প্রার্থীদের মুখে।
প্রতিনিধি দলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে আন্দোলন আন্দোলনের মতোই চলবে। এই বৈঠকও পাশাপাশি হবে। আগামী ২২ তারিখ ফের বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হবে। শূন্যপদ তৈরি করেই কি আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হবে? এই প্রশ্ন উঠছে।
সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট মান্যতা দিলে আগামী দিনে জট কেটে যাবে। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের এমনই মত। সরকার যোগ্য প্রার্থীদের শূন্য পদে নিয়োগ করবে। এমনই নজির থাকতে হবে। এই কথা জানা যাচ্ছে। তাহলে কি নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশের চাকরি প্রার্থীদের মুখে হাসি দেখা যাবে? প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications