করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি খাবার, জেলাশাসকদের নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের

প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য করোনা তৃতীয় ঢেউয়ের (third wave) মধ্যে রয়েছে। এদিন এমনটাই জানিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। সেই পরিস্থিতি প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং দুঃস্থ করোনা আক্

প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য করোনা তৃতীয় ঢেউয়ের (third wave) মধ্যে রয়েছে। এদিন এমনটাই জানিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। সেই পরিস্থিতি প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং দুঃস্থ করোনা আক্রান্তদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রশাসন। এবার আক্রান্তদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

 বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস-সহ খাবার

বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস-সহ খাবার

দুঃস্থ করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস-সহ খাবারের প্যাকেট পৌঁছে দিতে নবান্নের তরফে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাবারের মধ্যে থাকছে চাল, ডাল, মুড়ি, বিস্কুট। জেলাশাসকদের এব্যাপারে প্রতিদিনের আক্রান্তদের তালিকায় নজর রাখতে বলা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে প্যাকেট পৌঁছে দিতে পুলিশের সাহায্য নেওয়া হবে।

অনেকে সেলফ আইসোলেশনে, অনেকের আয় নেই

অনেকে সেলফ আইসোলেশনে, অনেকের আয় নেই

নবান্ন সূত্রে খবর, গতবছরের একেবারে শেষ লগ্নে এসে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। রাজ্য জুড়ে একই পরিস্থিতি হলেও সব থেকে খারাপ অবস্থার কলকাতার। তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এর পরে রয়েছে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলা। আক্রান্তদের বেশিরভাগই বাড়িতে রয়েছেন। এই পরিস্থিতি অনেকের আয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতি চাল, ডাল, মুড়ি, বিস্কুট-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রির প্যাকেট রোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে। জেলাশাসকরা পুলিশকে দিয়ে পুরো ব্যবস্থা কার্যকরী করবেন।

২০২০-র মতো পরিস্থিতি ফিরতে দিতে চায় না রাজ্য সরকার

২০২০-র মতো পরিস্থিতি ফিরতে দিতে চায় না রাজ্য সরকার

২০২০-র মার্চের শেষের দিকে সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় একাধিক বেসরকারি অফিস। কাজ হারান বহু মানুষ। পরে লকডাউন আস্তে আস্তে উঠলে পরিস্থিতি কিছুটা সচল হয়। তবে অনেকেই কাজ ফিরে পাননি। যে কারণে অর্থ সংকটে অনেকেই। রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষকে সেই পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে চায় না। জানিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই খুব কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলেই জানিয়েছিলেন তিনি।

রাজ্যে একের পর এক জনকল্যাণ মূলক প্রকল্প

রাজ্যে একের পর এক জনকল্যাণ মূলক প্রকল্প

২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্যে কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্প প্রথম চালু হয়। এরপর একে একে যুবশ্রী, রূপশ্রী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্প। এরপর দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার বন্দোবস্ত। সব থেকে শেষে চালু হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। উপকৃত হয়েছেন বাড়ির মা-বোনেরা। সেই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্ত দুঃস্থ রোগীদের বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস-সহ খাবার পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্তেও যে বহু মানুষ উপকৃত হবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+