বাংলার ওবিসিদের ধোঁকা দিয়েছে তৃণমূল! সপ্তমদফার আগে হাইকোর্টের রায় নিয়ে বিস্ফোরক মোদী
Lok Sabha Election 2024: বাংলার অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ভুক্তদের ধোঁকা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন প্রথমে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এবং পরে অশোকনগর এবং বারুইপুরের সভা থেকে এমনটাই আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলিমদের ৭৭ টি গোষ্ঠীকে ওবিসি ভুক্ত করা অসাংবিধানিক। তিনি বলেন, ভোটে তুষ্টিকরণ করতে জিহাদিদের জন্য এটা করা হয়েছে। ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য মুসলিমদের ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এদিন এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২০১০ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জারি করা সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করার কলকাতা হাইকার্টোর সিদ্ধান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা (তৃণমূল-সহ বিরোধীরা) একটা পদ্ধতি অনুসরণ করেছে।
প্রথমে অন্ধ্রপ্রদেশে একটি আইন করে সংখ্যালঘুদের সুযোগ দিয়েও আদালতে হেরে যায়। হাইকোর্টের পরে সুপ্রিম কোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করে। কারণ সংবিধান বিষয়টিকে অনুমোদন দেয় না। এরপরেই তারা চতুরতার সঙ্গে পিছনের দরজা দিয়ে খেলা শুরু করে।
রাতারাতি তারা মুসলিমদের সবাইকে ওবিসিদের মধ্যে ঢুকিয়ে ওবিসি ভুক্তদের অধিকার কেড়ে নেয়। সেখানে হাইকোর্টের রায়ে স্পষ্ট, জালিয়াতি করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুঃখের বিষয় হল, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তারা বিচার ব্যবস্থাকে অপব্যবহার করছে।
#WATCH | On Calcutta High Court's decision to cancel all OBC certificates issued in West Bengal after 2010, PM Narendra Modi says, "They have a modus operandi. First, they started the sin of giving it to minorities by making a law in Andhra Pradesh, they lost in the Supreme Court… pic.twitter.com/KVhtLD32rO
— ANI (@ANI) May 28, 2024
প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্ট ২০১০ সালের পরে (বিশেষ করে তৃণমূল সরকার আসার পর থেকে দেওয়া) প্রায় পাঁচ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে। তবে যাঁরা ইতিমধ্যে সেই সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, কিংবা সংরক্ষণ থেকে উপকৃত হয়েছেন, এই আদেশ তাঁদেরকে কোনও ভাবেই প্রভাবিত করবে না। তবে এই সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করা যাবে না।
হাইকোর্ট দেখেছে, ২০১০ সালের পরে যেসব ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, সেখানে সঠিক ও প্রতিষ্ঠিত আইন অনুসরণ করা হয়নি। হাইকোর্ট নজর করেছে যে ৭৭ টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা ২০১০-২০১২ সালের মধ্যে করা হয়েছে। এই অন্তর্ভুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি আইনের অধীনে তাদের উপ শ্রেণিকরণ আইন অনুসারে করা হয়নি।
হাইকোর্ট দেখেছে রাজ্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে গিয়ে সাংবিধানিক বিধি লঙ্ঘন করেছে। শ্রেণিগুলিকে ওবিসি শ্রেণিভুক্ত করতে গিয়ে সামাজিক ও শিক্ষাগত অনগ্রসরতার কিংবা আইনগত সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।
-
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী











Click it and Unblock the Notifications