ফের পুলিশ হেফাজতে জয়ন্ত সিং, পুরোপুরি হাত তুলে নিল তৃণমূল?
জয়ন্ত সিংয়ের উপর থেকে কি সম্পূর্ণ হাত সরিয়ে নিল শাসক দল তৃণমূল? আদালতে সরকারের তরফ থেকেও জামিনের বিরোধিতা করা হচ্ছে৷ ফের পুলিশ হেফাজত হল জয়ন্ত সিংয়ের।
মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয় জয়ন্ত সিংকে। পানিহাটি, আড়িয়াদহ এলাকার ত্রাস এই জয়ন্ত। সুবিশাল অট্টালিকা তৈরি, জমি দখল, মারধর, তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগ সামনে আসছে। মঙ্গলবার আদালতে থাকাকালীন গোটা সময়টাই নির্লিপ্ত ছিল এই ডন।

প্রশ্ন উঠছে, জয়ন্ত ও সঙ্গীদের উপর থেকে পুরোপুরি হাত সরিয়ে নিল তৃণমূল? কামারহাটি এলাকাতেই জয়ন্তকে নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দু'রকম মত তৈরি হয়েছিল৷ তালতলা ক্লাবের ভিডিও যে তৃণমূলের অস্বস্তি বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাংসদ সৌগত রায়, বিধায়ক মদন মিত্রের নেতৃত্বে কামারহাটিতে বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকেই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ দল বড় প্রোমোটার, দুষ্কৃতীদের থেকে দূরে থাকবে। এই কথা বলা হয়। জয়ন্ত যে প্রাসাদসম বাড়ি করে ফেলেছে। তা না কী জানতেন না তৃণমূল নেতৃত্ব।
মঙ্গলবার জয়ন্তকে আদালতে তোলা হয়। ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক তাকে আরও আট দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। জয়ন্তর ছায়াসঙ্গী জঙ্ঘাকেও আট দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে সরকার পক্ষের উকিল বরাবর জামিনে বিরোধিতা করছেন। জয়ন্ত ও তার সঙ্গীদের কীভাবে আরও বেঁধে ফেলা যায়, সেই পরিকল্পনাও চলছে বলে খবর। জয়ন্তর অপর সঙ্গী প্রসেনজিত দাসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক৷
এই জামিনের বিরোধিতা করছে পুলিশ। এই জামিন খারিজের জন্য অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতে আবেদন করা হবে৷ এই কথা গতকালই জানিয়েছেন, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার অলোক রাজোরিয়া। আজ বুধবার জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়া হবে। এই কথাও জানানো হয়েছে।
কতটা চাপে আছে জয়ন্ত ও তার সঙ্গীরা? এর আগে পাঁচ বার জয়ন্ত গ্রেফতার হয়েছিল। এবার কতটা আইনের জালে জড়াবে জড়াবে জয়ন্ত?












Click it and Unblock the Notifications