ভোটে জিতেও ভাঙড়ে ঢুকতে পারলেন না নওশাদ, বিধায়ককে ১৪৪ ধারা জারির কারণ শোনাল পুলিশ
ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা। জয়ের পরেও ভাঙড়ে ঢুকতে পারলেন না আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকি। িউটাউনের আর্টস একরের সামনে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির গাড়ি আটকালো বিধান নগর কমিশনারেটের পুলিশ।
পুলিশকে বাধা দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই পুলিশ জানায় ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেকারণে বিধায়ককে তারা যেেত িদতে পারবেন না। কিন্তু বিধায়কও অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি কিছুতেই গাড়ি ঘোরাতে রাজি নন। ভাঙড়ে এবার ভাল ফল করেছে আইএসএফ।

ভাঙড়ে এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই অশান্তি। মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শাসক দলের সঙ্গে আইএসএফের বিপুল সংঘর্ষ ঘটে। আরাবুল গোষ্ঠী রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে ভাঙড়ে। মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি ভাঙড়ের একাধিক জায়গায়। পাল্টা প্রতিরোধ গড়েছে আইএসএফও। ভোটের পরেও ভাঙড়ে তুমুল অশান্তি হয়েছে। বোমাবাজি, গুলি চলেছে। শুধু ভাঙড়ে ১০ জনের মতো প্রাণ গিয়েছে।
তারপরেও ভাঙড়ে এবার ভাল ফল করেছে আইএসএফ। কাঁঠালিয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতে হার স্বীকার করতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে দোর্দণ্ড প্রতাপ নেতা আরাবুল ইসলামকে। তারপর থেকেই আরও অশান্তি চড়তে শুরু করে ভাঙড়ে। কেন্দ্রীয় বািহনীর উপস্থিতিতেই চলে বোমাবাজি। পুলিশ সুপার পর্যন্ত বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন। তাঁর দেহরক্ষীর পায়ে গুলি লেগেেছ। এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাঁরা।
এদিকে শুক্রবার সকালে ভাঙড়ে যাচ্ছিলেন আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকি। কিন্তু নিউটাউনেই তাঁকে আটকে দেয় বিধাননগর পুলিশ। ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে জানিয়ে সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। নওশাদ সিদ্দিকি অভিযোগ করেছেন ইচ্ছে করে তাঁকে ভাঙড়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কারা ভাঙড়ে যাবে তার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাতে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতার নাম থাকলেও ভাঙড়ের বিধায়কের নাম নাকি নেই।
ভোটের পর ভাঙড়ে প্রথম যাচ্ছিলেন নওশাদ। পথে হাতিশালা মোড়ের কাছে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। তিনি অভিযোগ করেছেন যাঁরা এমএলএ নন তাঁরা স্টিকার লাগিয়ে ভাঙড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অথছ তিনি এলাকার বিধায়ক হয়ে নিজে সেখানে যেতে পারছেন না। পুলিশ তাঁকে বাধা দিচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই আদালত রক্ষা কবচ দিয়েছে নওশাদ সিদ্দিকিকে।












Click it and Unblock the Notifications