১১ কোটি টাকার উৎস কী? জানতে চেয়ে তৃণমূল বিধায়ককে তলব করল আয়কর দফতর
১১ কোটি টাকার উৎস কী? জানতে চেয়ে তৃণমূল বিধায়ককে তলব করল আয়কর দফতর
অস্বস্তি বাড়ল জাকির হোসেনের! প্রাক্তন মন্ত্রী এবং তৃণমূল বিধায়ককে এবার তলব করল আয়কর দফতর। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় আয়কর দফতরের অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে জাকির হোসেন। যেখানে একাধিক নথি নিয়ে আসার কথাও বলা হয়েছে আয়করের তরফে। যদিও তৃণমূলের দাবি, ইচ্ছাকৃত ভাবে ষড়যন্ত্র কষে এই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। এমনকি জাকির নিজেও জানিয়েছেন, শ্রমিকদের বেতনের জন্যে ওই টাকা রাখা হয়েছিল।

১১ কোটি টাকারও বেশি নগদের হদিশ
বৃহস্পতিবার হঠাত করেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধায়কের বাড়ি পৌঁছে যান আয়করের অফিসাররা। তাঁর বাড়ি সহ একাধিক ফ্যাক্টারিতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। আর এই দীর্ঘ তল্লাশিতে ১১ কোটি টাকারও বেশি নগদের হদিশ পান আয়কর আধিকারিকরা। একটা বড় অংশের টাকার খোঁজ পান ফ্যাক্টারি থেকে। আর বিধায়কের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নগদ ২ থেকে ৩ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ এই টাকার হদিশ সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে যায় রাজনৈতিকমহলে। কেন বা কীসের জন্যে এই বিপুল টাকা রাখা হয়েছিল তা নিয়ে নাকি তেমন উত্তর দিতে পারেননি জাকির হোসেন। আর এরপরেই সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে অভিযোগ।

কোটি কোটি টাকার উৎস কি?
আর এই ঘটনার পরেই এবার তৃণমূল বিধায়ককে তলব করল আয়কর দফতর। মূলত বাড়ি এবং ফ্যাক্টারি থেকে যে ১১ কোটী টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেই টাকার উৎস কি তা জানতেই বিধায়ককে তলব করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, যদি এই টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলা হয় তাহলে সেই সংক্রান্ত সমস্ত নথি নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে। যদি কোথায় এন্ট্রি থাকে তাও নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে। মূলত কাগজএ-কলমে এই বিপুল টাকার এন্ট্রি আছে কিনা সেটাই দেখতে চান আয়কর আধিকারিকরা। অন্যদিকে পাঁচ বছরের ইনকাম ট্যাক্স রিটার্নের নথিও জাকির হোসেনকে নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্কের যাবতীয় লেনদেন-অ্যাকাউন্টের তথ্যও জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সপ্তাহের শুরুতেই আসতে বলা হয়েছে বলে খবর।

বেতন দিতেই এত টাকা
যদিও তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন, তাঁর কয়েক হাজার শ্রমিক রয়েছে। তাঁরা সবাই বেতন নেন নগদে। আর সেজন্যেই সেই টাকা তোলা ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, কৃষকদের থেকে ধান কেনার ক্ষেত্রেও নগদ টাকা প্রয়োজন হয়। আর সেই টাকাই তোলা ছিল বলেও জানিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তবে তিনি কর দিয়ে ব্যবসা করেন বলে জানিয়েছেন জাকির হোসেন। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মুর্শিদাবাদের মধ্যে তিনি সব থেকে বড় কর দাতা। তবে তিনি ইঙ্গিত করে এও বলেছিলেন, ব্যবসায়ী হওয়ায় উনিশ-বিশ হতেই পারে।












Click it and Unblock the Notifications