Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Howrah: "গলায় দড়ি দিতে ইচ্ছে করছে," বেলগাছিয়া ভাগাড়ে 'নরকযন্ত্রণা' স্থানীয়দের; ৫ দিন পর গেলেন ফিরহাদ

Howrah: হাওড়ার বেলগাছিয়ার ভাগাড়ে ভূমিধসে চূড়ান্ত ভোগান্তিতে হাজার হাজার পরিবার। সোমবার রাজনৈতিক নেতাদের আনাগোনায় দফায় দফায় উত্তপ্ত হল এলাকা। বেলগাছিয়া ভাগাড়ে সকালেই পরিদর্শনে যান রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বিকল্প জায়গায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার কথা জানান তিনি। এদিকে দুপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছতেই আটকাল পুলিশ। শুভেন্দুকে হেনস্থারও অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে।

সোমবার লিলুয়ার বেলগাছিয়া ভাগাড় পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ফিরহাদ হাকিম। উপস্থিত ছিলেন হাওড়ার জেলাশাসক পি দীপাপ্রিয়া, পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, উত্তর হাওড়ার বিধয়ক গৌতম চৌধুরী, হাওড়া জেলা সদর তৃণমূলের সভাপতি বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ সহ অন্যান্যরা। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে আজ ও কাল মঙ্গলবার রিভিউ বৈঠক সারা হবে বলে সূত্রের খবর।

FIRHAD

রিভিউ বৈঠকেই ঠিক করা হবে উক্ত জায়গায় আর ভাগাড় থাকবে কি না। সূত্রের খবর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে। ভাগাড়ের বদলে ওই স্থানে মাঠ করে দেওয়া হতে পারে। এনিয়ে মঙ্গলবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে সূত্রের খবর। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, "বেলগাছিয়া ভাগাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে রাজ্য সরকার আছে। এদের জন্য বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। আজকেই সার্ভে হবে। এরপর আগামীকাল অফিসে বসে কোথায় খালি জমি আছে তা নিয়ে আলোচনার পর এদের জন্য বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।"

Take a Poll

রাতারাতি চোখের সামনে ফাটল ধরে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। ধস নেমে বিপর্যস্ত এলাকা। পাইপলাইন ফেটে আসছে না জল। বিদ্যুৎ-ও নেই এলাকায়। এমতাবস্থায় কার্যত নরকযন্ত্রণার সম্মুখীন হাওড়ার বেলগাছিয়ার ভাগাড় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। বিপর্যয়ের ৫ দিন পর সেখানে পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

এদিন ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলিতে সার্ভে করেন বিপর্যয় মোকাবিলা গ্রুপের আধিকারিকরা। এলাকারই একটি স্কুলে স্থানীয়দের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পাকাপাকি সমাধানের দাবিতে সরব স্থানীয়রা। এক এলাকাবাসীর বক্তব্য, "গোটা বাড়িটা চোখের সামনে ভেঙে গিয়েছে। রাস্তায় দিন কাটাচ্ছি সবাই মিলে। বাচ্চাদের পড়াশোনা সবকিছু ব্যাঘাত ঘটছে। কেউ সাহায্য করছে না। আমাদের প্লিজ সাহায্য করুন। গলায় দড়ি দিয়ে মরে যেতে ইচ্ছে করছে।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+