বিধাননগরের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছুঁই-ছুঁই! একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় জারি আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা
উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে আগামী একসপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে। এদিন এমনটাই সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। আগামী পাঁচ দিনে বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। পরবর্তী সময়ে তা আরও বৃদ্ধির পূর্বাভাস।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এই সময়ের মধ্যে রাজ্যের দুটি জেলা বাদ দিয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। অন্যদিকে ঘামও হবে কম। তাই আবহাওয়া দফতরের তরফে বয়স্ক নাগরিক ও শিশুদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ছয় থেকে নয় এপ্রিলের মধ্যে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। বিচ্ছিন্নভাবে দু-এক জায়গায় কিছুটা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ হাল্কা বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি সব জেলার আবহাওয়া এই সময় শুকনো থাকবে।
দশ থেকে চোদ্দোই এপ্রিলের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ। এই সময় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় এবং উত্তরবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বেলা ১১ টা থেকে বিকেল চারটের মধ্যে বিশেষ সতর্কতার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে কেউ অসুস্থতা বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ আলিপুরের তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় দেড় ডিগ্রির মতো বেশি। দমদমে ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিধাননগরে ছিল ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সময় বাঁকুড়ার তাপমাত্রা ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতন ৩৬.৭ এবং মালদহ ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সব জায়গাতেই এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি না থাকলেও, শুকনো তাপের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যে পরিস্থিতির সঙ্গে আমরা সাধারণভাবে পরিচিত নই।












Click it and Unblock the Notifications