একুশের ডিসেম্বরেই কি পুরভোট, উপনির্বাচনের মধ্যেই কমিশনের তৎপরতায় তুঙ্গে জল্পনা
একুশের ডিসেম্বরেই কি পুরভোট, উপনির্বাচনের মধ্যেই কমিশনের তৎপরতায় তুঙ্গে জল্পনা
রাজ্যে উপনির্বাচন পর্ব মিটলেই ফের ভোটের বাদ্যি বাজার অপেক্ষা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে ডিসেম্বরই রাজ্যে পুরভোটের আসর বসতে চলেছে। ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন এবং তার ফলাফল প্রকাশিত হবে ২ নভেম্বর। তারপর উৎসবের রেওয়াজ কেটে গেলেই বাংলায় পুরভোটের আসর বসবে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে ২০২১-এর ডিসেম্বরই হবে পুরভোট।

নরায় পুরসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু বাংলায়!
২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে কলকাতা পুরসভা-সহ রাজ্যের ১১৭টি পুরসভায় ভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছিল রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। কিন্তু করোনা লকডাউনে সেই প্রস্তুতিতে জল ঢেলে দেয়। করোনার বাড়বাড়ন্ত একটু কমলেও এখনও প্রকোপ কাটেনি। এই অবস্থায় পুনরায় পুরসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে যে ভোট থমকে গিয়েছিল
উপনির্বাচন পর্ব মিটলেই কোমর বেঁধে নেমে পড়বেন শাসক-বিরোধী দলের নেতানেত্রীরা। ইতিমধ্যে শাসকপক্ষের কাউন্সিলর ও নেতানেত্রীরা তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ করে কলকাতা, হাওড়া ও বিধাননগর পুর এলাকায় এই তৎপরতা চোখে পড়ছে বেশ। করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় যে ভোট থমকে গিয়েছিল, সেই ভোট অবশেষে হতে পারে এ বছরই।

১২৮টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে
বর্তমানে কলকাতা-সহ ১২৮টি পুরসভায় সরকার নিযুক্ত প্রশাসকরা কাজ চালাচ্ছেন। অর্থাৎ ১২৮টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবার স্থগিত রাখা পুরভোট করতে পারেন বর্তমান বছরেই। রাজ্য ধরেই নিয়েছে ২০২১-এর ডিসেম্বরেই হবে পুরভোট। করোনা আবহে একুশের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু হয়নি পুরসভার ভোট। তারপর ৩০ সেপ্টেম্বর তিন বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। ৩০ অক্টোবর আবার বাকি চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন।

পুরসভার কাউন্সিলরদেরও জনসংযোগে জোর
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞমহল মনে করছে, উপনির্বাচন পর্ব কাটলেই পুরভোটের দামামা বেজে যাবে। তাই এই উৎসবের মরশুমকে পুরোদমে কাজে লাগাতে মরিয়া কাউন্সিলররা। তাঁরা পরীক্ষায় বসার আগে জনসংযোগ বাড়াতে মন দিয়েছেন। শুধু কলকাতার কাউন্সিলররাই নন, হাওড়া ও বিধানগর পুরসভার কাউন্সিলররাও জনসংযোগে জোর দিয়েছেন।

ডিসেম্বরে পুরভোটের প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের!
বিশেষজ্ঞমহলের যুক্তি, করোনা পরিস্থিতিতেও নির্বাচন কমিশন এক মাসের মধ্যে দু-দফায় নির্বাচন করার ঝুঁকি নিয়েছে। তাই এরপর ডিসেম্বরে পুরভোটের প্রস্তুতি নিতেই পারে নির্বাচন কমিশন। এখনই পুরভোটের আদর্শ সময় উপস্থিত হয়েছে। ২০২০ সালেই ওয়ার্ড সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। তাই প্রার্থী চয়নের ক্ষেত্রে অনেক ওয়ার্ডেই যেমন নতুন মুখ দেখা যাবে, তেমনই কাউন্সিলরদের সঠিক ক্ষেত্রে পুনর্বাসন দিতে হবে। পুরভোটের আগে রাজনৈতিক দলের কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে তা। নির্বাচন কমিশন তৈরি, রাজ্য সবুজ সংকেত দিলই রাজ্যে পুরভোটের দামামা বেজে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications