নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযানে ইডি! পার্থ ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়ের একাধিক 'ঘাঁটি'তে তল্লাশি
West Bengal Recruitment Scam: সাত-সকালে ফের অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ম্যারাথন অভিযান। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই তালিকায় নিউ টাউন, নয়াবাদ এবং সল্টলেকের মোট ৭টি জায়গা আছে বলে জানা গিয়েছে।
গোটা এলাকা একেবারে ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে জওয়ানদের হাতে রয়েছে শিল্ড এবং লাঠি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (west Bengal Recruitment Scam) গ্রেফতার হন প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়।

মিডলম্যান হিসাবে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। গত কয়েকমাস আগেই সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পান প্রসন্ন। আর এরপরেই তাঁর একাধিক ঘাঁটিতে পৌঁছে গেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তল্লাশি চলছে প্রসন্ন রায়ের দুটি ফ্ল্যাটে, নিউ টাউনের একটি অফিস এবং আইডিয়াল টাওয়ারে। এই টাওয়ারে প্রসন্নের ফ্ল্যাট আছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও এই টাওয়ারের পাশে আরও একটি বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
নির্দিষ্ট বেশ কিছু তথ্যের ভিত্তিতেই এদিন এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে বলে খবর। সুত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতির বিপুল টাকা প্রসন্নের কাছে আসত, আর সেখান থেকেই প্রভাবশালীদের কাছে ছড়িয়ে পড়ত।
শুধু তাই নয়, শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় কয়েকশ কোটির কেলেঙ্কারি হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকার উতস কি সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে এদিন তরফে। এছাড়াও প্রসন্নের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। যার মূল্য কয়েকশ কোটি বলে অনুমান।
কীভাবে এই বিপুল সম্পত্তি তৈরি হল সেই বিষয়টিও এদিন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিপুল সম্পত্তি কেনার পিছনে কি নিয়োগ দুর্নীতির টাকা রয়েছে? সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় আরও এক মিডলম্যানের খোঁজ মিলেছে।
যার নাম প্রদীপ ঝাঁ বলে জানা যাচ্ছে। এদিন সকালে নয়াবাদে এই রোহিতের বাড়িতেও ইডি আধিকারিকরা পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একেবারে কোমর বেঁধে এদিন নেমে পড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
উল্লেখ্য এর আগে সিবিআই দাবি করেছিল, প্রসন্নের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে সাড়ে চারশোটি সম্পত্তি রয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতির টাকাতেই এই সমস্ত সম্পত্তি কেনা হয়েছে বলে দাবি করে সিবিআই। এছাড়াও প্রসন্নের বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications