WB Panchayat Election: মমতার সরকারে বিশ্বাস নেই মানুষের! আদালতমুখী রাজনীতি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিলীপের
মমতার সরকারের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে মানুষ! তাই বড্ড বেশি আদালতমুখী হয়ে পড়ছে রাজনীতি। এমনটাই মনে করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের। সম্প্রতি পঞ্চায়েত নিয়েও বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি আদালতের দ্বারস্থ হয়ছিল, সে প্রসঙ্গেই তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিলেন দিলীপ ঘোষ।
এদিন পঞ্চায়েত নিয়ে বিজেপি আদালতের দ্বারস্থ হয়েও তো তো শূন্য হাতে ফিরতে হল? এমন প্রশ্ন উঠে এসেছিল দিলীপ ঘোষের দিকে। তার প্রত্যুত্তরে দিলীপ ঘোষ জানান, বিজেপির জন্যই তো সেন্ট্রাল ফোর্সের কথা উঠল। লাঠিধারী পুলিশ চলবে না, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করতে হবে।

তিনি বলেন, এটা শুধু বিজেপির নয়, সব বিরোধীদলেরই দাবি। সরকারি কর্মচারীরা এখনও দাবিতে অনড় আছেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী না হলে তারা নির্বাচন করবেন না। তাঁদেরও প্রাণের ঝুঁকি আছে। সেই কথা নিয়েই বিজেপি আদালতে গেছে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী আদায় করেছে।
তাহলে কি রাজনীতি বড্ড বেশি আদালত নির্ভর হয়ে পড়ছে? সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, সরকার যখন সিদ্ধান্ত নেয় না তখন মানুষ আদালতে যায়। সরকারের উপর মানুষের ভরসা চলে গিয়েছে, তাই আদালতে যাচ্ছে। বলছেন, বাংলায় কথায় কথায় আদালত কেন? একটা জনসভা করতে গেলেও পুলিশ অনুমতি দেয় না। হাইকোর্টে যেতে হয়।

দিলীপ ঘোষ বলেন, কোনো রাজ্যে শুনেছেন এরকম! এই সরকারের সেই ইচ্ছাও নেই, যোগ্যতাও নেই আর মানুষেরও সরকারের উপর বিশ্বাস নেই। শুধু বিজেপি নয়, বিরোধীরা নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরাও আদালতে যাচ্ছে ন্যায় পাওয়ার জন্য। সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। আদালতেই নির্ধারিত হচ্ছে সিদ্ধান্ত।
দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথার ঠিক নেই। কখন কী বলেন, কখন কী করেন, তা তিনি নিজেও জানেন না। এখন তো শুধু নেতাদের আর ভাইপোকে বাঁচাতেই তিনি ব্যস্ত! সরকার তো কিছুই করছে না। সরকারি কর্মচারীরা মাসের পর মাস ধরনা দিচ্ছেন।
দিলীপ ঘোষের কথায়, এ রাজ্যে পরীক্ষায় পাস করার পরেও চাকরির দাবিতে ধরনা দিতে হয়। হাজারো লোক ধরনা দিচ্ছে। কোন রাজ্যে এমনটা আছে? কোন সরকারে এমন আছে? এটা শুধু আছে পশ্চিমবঙ্গে! তাই তো মানুষকে আদালতের স্মরণাপন্ন হতে হচ্ছে। আদালত থেকে সিদ্ধান্ত আনতে হচ্ছে, সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বলেই।

তিনি বলেন, রাজ্যের সরকারি দল শুধু গ্রামে গ্রামে বোমা ফাটাচ্ছে। কারা সাপ্লাই করছে বোঝাই যাচ্ছে। আমরা যখন অভিযোগ করি তৃণমূলের লোকেরাই বোমার কারখানা করছে; বোমা বিক্রি করছে; বোমা ফাটাচ্ছে, তখন তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা আমাদের দিকে আঙুল তোলে! এখন তো পরিষ্কার হয়ে গেল সব, তৃণমূল নেতার গাড়ির ড্যাশবোর্ডে মিলল বোমা।
দিলীপ ঘোষ বলেন, নেতার গাড়ির মধ্যে বোমা নিয়ে ঘুরছে। কীরকম আহাম্মক দেখুন! এটা যদি কোনো কারণে ফাটে গাড়িও তো উড়ে যাবে, মারা যাবে। এত বেপরোয়া হয়ে গেছে যে, গাড়িতে বোমা নিয়ে ঘুরতেও হাত কাঁপছে না। জানে যে, নেতার গাড়িতে পুলিশ হাত দেবে না। বাইচান্স খুলেছে, আর বেরিয়ে পড়েছে বোমা।












Click it and Unblock the Notifications