বিদ্রোহী শান্তনু ঠাকুর বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে, এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
বিদ্রোহী শান্তনু ঠাকুর বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে, এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
মতুয়া-গড়ে বিদ্রোহ ক্রমশ জাঁকিয়ে বসছে বিজেপিতে। পাঁচ বিধায়কের পর সাংসদ-মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন। ছেড়েছেন বিজেপির সমস্ত হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ। বিজেপির তিন বিদ্রোহী বিধায়য়কদের নিয়ে তিনি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছেন। এবার বিজেপির এই বিদ্রোহ নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বরফ গলল কি না, তা স্পষ্ট হয়নি এখনও
বিজেপিতে সম্প্রতি হোয়াটস অ্যাপ-বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ দলের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। তাতে অস্বস্তি বাড়ছে রাজ্য বিজেপির। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফোন করে আশ্বস্ত করেছেন শান্তনু ঠাকুরকে। তিনি প্রয়োজদনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে বরফ গলল কি না, তা স্পষ্ট হয়নি এখনও।

শান্তনু ঠাকুরদের নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ
শান্তনু ঠাকুর মতুয়া বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খোলেননি। দলের ইন্টারন্যাল ব্যাপার বলে এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তবে শান্তনু ঠাকুরদের নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্তমানে কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পশ্চিম মেদিনীপুরে এদিন দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি সরব হলেন বিজেপির অন্তর্কলহ নিয়ে।

গোপন বৈঠকে কী আলোচনা হল, বললেন দিলীপ
দিলীপ ঘোষ বলেন, ঠাকুরবাড়িতে গোপন বৈঠক হতেই পারে। কেউ কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন। আমাদের মতো তো সকলে রাস্তার উপর বসে মিটিং করে না। চা খাওয়ার জন্য কেউ কেউ বাড়িতে আসতেই পারেন, কিংবা বাড়িতে ডাকতেই পারেন। তবে তিনি জানান, গোপন বৈঠকে কী আলোচনা হল, তা তাদের জানা নেই।

শান্তনু ঠাকুরকে দরাজ সার্টিফিকেট
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, গোপন বৈঠকে কী আলোচনা হল তা ওনারাই বলতে পারবেন। ওনাদের জিজ্ঞাসা করুন। আমাকে ডাকেনি বৈঠকে, আমি কী করে বলি কী আলোচনা হল। ঠান্ডার সময় চা খেয়েছেন, গল্প করেছেন। সবটাই তিনি এভাবে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি শান্তনু ঠাকুরকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন। বলেছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উনি। উনি ভালো কাজ করছেন।

মতুয়াদের প্রতি অবহেলায় ক্ষোভ
সম্প্রতি বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল হয়, নতুন রাজ্য কমিটি গঠন হয় সুকান্ত মজুমদার রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর। রাজ্য কমিটিতে কোনও মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা সুয়োগ পাননি। এমনকী জেলা সভাপতি রদবদলেও ব্রাত্য থেকেছেন তাঁরা। এরপরই মতুয়াদের প্রতি অবহেলার হচ্ছে বলে ক্ষোভ উগরে দেন মতুয়া বিধায়করা।

শান্তনুকে আশ্বাস দেন নাড্ডা
প্রথমে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক দলের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন। তারপর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দেন। তারপরই নড়েচড়ে বসে বিজেপি নেতৃত্ব। তড়িঘড়ি শান্তনু ঠাকুরকে ফোন করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁদের মধ্যে কথা হয়, শান্তনুকে আশ্বাস দেন নাড্ডা।












Click it and Unblock the Notifications