Cyclone Mocha: গতিবেগ ১৬০-১৬৫, বিধ্বংসী গতিতে স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে 'মোখা'
প্রচণ্ড গতিতে এগোচ্ছে মোখা। বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্প শুষে নিয়ে আরও শক্তি বাড়িয়ে ফেলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। যেখানে এখন তার অবস্থান সেখানে ১৬০-১৬৫ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে সেটি। কাজেই আঁচ করা যাচ্ছে কী বিধ্বংসী গতিবেগ নিয়ে এগোচ্ছে মোখা।
রাজ্যের কোথাও মোখার কোনও প্রভাব পড়বে না। আবারও জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মোখার আপডেট দিতে দিয়ে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মোখা একেবারেই মায়ানমার উপকূলের দিকে এগোচ্ছে । পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের কোবও উপকূলেই তার কোনও প্রভাব পড়বে না।

মোখা এখন অবস্থান করছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। ১২ মে অর্থাৎ আগামীকাল এর অবস্থান থাকবে মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং এর গতিপথ উত্তর উত্তর পূর্ব দিকে । তারপরে এর গতিপথ পাল্টে হবে উত্তর উত্তর-পশ্চিম দিকে।
এই মুহূর্তে মোখার গতিবেগ প্রায় ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা। সামনে যা থাকবে তা ধুলোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে মোখা। বঙ্গোপসাগর থেকে যত ভূমির দিকে এগোবে তত শক্তি কমবে বলে জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। কিন্তু যে গতিতে মোখা এগোচ্ছে তাতে আম্ফানের গতিবেগকেও হারিয়ে দেবে।

আগামী ১৪ মে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ কক্সবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্ব মায়ানমারের চাকিউ এই অঞ্চলের মধ্যবর্তী কোনও স্থানে ল্যান্ডফল করতে চলেছে মোখা। তার আতঙ্কে এখন প্রমাদ গুণছেন মায়ানমারের মানুষ। তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। কাজেই ১২ তারিখের পর থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজার সংলগ্ন এলাকার আবহাওয়া বদলাতে শুরু করবে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব আমাদের রাজ্যে না পড়লেও আন্দামান নিকোবরে কিন্তু তার প্রভাব পড়েছে। মোখার কারণে গত কয়েকদিন ধরেই সেখানে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। ১৪ তারিখ পর্যন্ত আন্দামানে এই বৃষ্টির দাপট জারি থাকবে তারপরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হবে। ১৪ মে পর্যন্ত আন্দামানে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

আমাদের রাজ্যে তার প্রভাব না পড়লেও যেহেতু মৎস্যজীবীরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরেন তাই তাঁদের আগামী ১৪ মে পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কাজেই মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারিই থাকছে রাজ্যে। এছাড়া আর কোনএ সতর্কতা মোখার জন্য রাজ্যে থাকছে না বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।












Click it and Unblock the Notifications