আরজি করের নির্যাতিতার মৃতদেহ সৎকারে তাড়াহুড়ো হয়েছে, মনে করছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট
আরজি করে নির্যাতিতার মৃতদেহ সৎকারে তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। এই কথা মনে করছেন খোদ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। শুনানি চলাকালীন কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক বার প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার মৃতদেহ সংস্কারের প্রসঙ্গ নিয়েও মন্তব্য করল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
ময়নাতদন্তের পর বেশি সময় অপেক্ষা করেনি পুলিশ৷ ৯ আগস্ট ওই নির্যাতিতার মৃতদেহ আরজি কর হাসপাতালে পাওয়া গিয়েছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ মৃতদেহ ঘিরেছিল বলে অভিযোগ।

মৃতার বাবা - মা পুলিশের বিরুদ্ধে আগেই মুখ খুলেছিলেন। পানিহাটি শ্মশানে সেই তরুণী চিকিৎসকের অন্তিম সংস্কার করা হয়। সেই শ্মশানেও পুলিশ তাগাদা দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে৷ অর্থাৎ পুলিশের কোথাও তাড়াহুড়ো ছিল। সেই কথা মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলও৷ আর আজ সেই বক্তব্যের দিকেই জোর দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টও।
পানিহাটি শ্মশানে পুলিশ আগে থেকেই মৃতদেহ নিয়ে আসার কথা জানিয়ে রেখেছিল৷ রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ওই শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, সেই সময় সৎকার হওয়ার লাইনে দুটি মৃতদেহ ছিল৷ পুলিশ আগে এই চিকিৎসকের মৃতদেহ দাহ করতে বলেছিল।
প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ এসেছিল৷ এছাড়াও তৃণমূল বিধায়ক, কাউন্সিলার, নেতারা হাজির হয়েছিলেন। সেজন্য আগে ওই তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ দাহ করা হয়৷ পুলিশ মেয়ের মৃতদেহের কাছেও ঘেঁসতে দেয়নি৷ এমন অভিযোগ করেছেন বাবা - মা। আর সেখান থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷
সুপ্রিম কোর্টও একইভাবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কেন দেরি করে পুলিশ তদন্ত শুরু করল। কেন অভিযোগ লেখার ক্ষেত্রে এতটা খাপছাড়া অবস্থা? কেনই বা ময়নাতদন্ত হয়ে যাওয়ার পর রিপোর্টে অস্বাভাবিক মৃত্যু লিখতে হল?
রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়ছেন কপিল সিব্বল। তিনি বৃহস্পতিবার বার বার আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন। সিব্বলের বক্তব্যে আদালত ভরসা করতে পারেনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। আর সেখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। মৃতদেহ সৎকার নিয়েও আদালতের কাছে খটকা আছে৷












Click it and Unblock the Notifications