২৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে ত্রিপুরায় কী করে বিকল্প হবে তৃণমূল? ভাঁওতাবাজি বললেন সুজন

৬০ আসনের ত্রিপুরায় যাদের ম্যাজিক ফিগার ৩১ আসনে প্রার্থী দেওয়ারই যোগ্যতা নেই, তারা দাবি করছে তারাই নাকি একমাত্র বিকল্প।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় ২৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। তাহলে ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে কী করে একমাত্র বিকল্প হবে তৃণমূল? এই প্রশ্ন তুলে দিলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মঙ্গলবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করে সুজন চক্রবর্তী তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভাঁওতাবাজির অভিযোগ করলেন।

২৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে ত্রিপুরায় কী করে বিকল্প হবে তৃণমূল? ভাঁওতাবাজি্ বললেন সুজন

সুজনবাবুর কথায়, তৃণমূল ২৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে কখনই দাবি করতে পারে না তারা ত্রিপুরায় একমাত্র বিকল্প। কারণ বিকল্প হতে গেলে আগে তো ৩১টি আসন পাওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। যাদের ৩১ আসনে প্রার্থী দেওয়ারই যোগ্যতা নেই তারা দাবি করছে তারাই নাকি একমাত্র বিকল্প।

ত্রিপুরায় বিধানসভায় ৬০টি আসন রয়েছে। ম্যাজিক ফিগার হল ৩১। তৃণমূল ২৮ আসনে প্রার্থী দেওয়া মানে তাঁরা এককভাবে জেতার রাস্তায় নেই। আসলে ওই আসনগুলিতে ভোট কেটে তারা বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে চায়। সেই কারণেই এবার তৃণমূল পা রেখেছে ত্রিপুরায়। গোয়াতে যে খেলা খেলেছিল, ত্রিপুরাতেও সেই খেলা খেলতে গিয়েছে। সবই মোদী-দিদির সেটিং।

এরপর সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন, ত্রিপুরায় বিজেপি যেটা চায় সেটা বিজেপির হয়ে তৃণমূল করছে। মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরায় নাকি শিল্প গড়বেন। ইন্ডাস্ট্রির জমি ফ্রি হোল্ড করতে চায় যারা, তারা কী করে এটা করবেন। একশো ভাগ ফেল একটা সরকার, তারা আবার ত্রিপুরায় গিয়ে মিথ্যা রটাচ্ছে।

সুজনের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী ভারতভ্রমণে গিয়েছেন রাজ্যের মানুষকে সংকটে ফেলে। সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বকেয়া, আর কালীঘাট ফুলে ফলে ভরে আছে। তারপর আবার নতুন রাজ্যপাল তো প্রশংসায় পঞ্চমুখ। দিল্লি থেকে যেমন নির্দেশ আসছে, তেমনটাই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আর রাজ্যপাল করে চলছেন। সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উচ্চারণ করে রাজ্যপাল পদকে কলুষিত করেছেন সিভি আনন্দ বোস।

তৃণমূল যে বিজেপিকে সাহায্য করছে তা বার বার প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। সেই করাণেই বিরোধী মিটিংয়ে যাচ্ছে না। এখন আবার ত্রিপুরায় গিয়েছে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে। সেখানকার মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিজেপিকে সহায়তা করতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।

তাঁর কথায়, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী তো বহুরূপী। দার্জিলিংয়ে তিনি মোমো ভাজেন, ত্রিপুরায় গিয়ে ভাজেন সিঙাড়া। যখন যেখানে যেমন তেমন কাজ করেন। তিনি বলেন, বাংলা হোক বা ত্রিপুরা একমাত্র বিকল্প হল বামেরাই। সে জন্য দরকার ডিজিটাল সামিট। এখন সোশ্যাল মিডিয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি বা তৃণমূলের টাকা অনেক। তাদের কাউন্টার করার জন্য আমাদের শুধু তরুণ ভলান্টিয়ার রয়েছেন। তাঁরা চেষ্টা করছেন বিজেপি ও তৃণমূলের অভিষন্ধি ফাঁস করতে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+