'নীল তিমি'র মৃত্যু খেলায় রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র, সিআইডির চেষ্টায় পেলেন রক্ষা
ব্লু হোয়েলের ফাঁদ থেকে রক্ষা পেলেন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক ছাত্র। কলেজের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে খবর পৌঁছয় সিআইডির কাছে। এরপর সিআইডি আধিকারিকরা একাধিকবার কথা বলেন ছাত্রের সঙ্গে
ব্লু হোয়েলের ফাঁদ থেকে রক্ষা পেলেন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক ছাত্র। কলেজের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে খবর পৌঁছয় সিআইডির কাছে। এরপর সিআইডি আধিকারিকরা একাধিকবার কথা বলেন ছাত্রের সঙ্গে। ব্লু হোয়েলের নেশা থেকে ফিরে আসতে পারায় কলেজ ও সিআইডিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ছাত্রটি।

রাজ্যের নামী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র শুধু নয়, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবার নীল তিমির কবলে। ব্লু হোয়েল নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে সতর্কতা প্রচার করছিলেন এডিজি সিআইডি রাজেশ কুমার। সেই সময়ই বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রেজিস্ট্রার যোগাযোগ করেন তাঁর সঙ্গে। ছাত্রের সন্দেহজনক আচরণের কথা সিআইডি আধিকারিককে জানান রেজিস্ট্রার। এরপর সাইবার বন্ধু সেজে ছাত্রটির সঙ্গে কথা বলে সিআইডির এডিজি।

ছাত্রটি নিজেই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, এইটথ লেভেল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল ছাত্রটি। একবার হাত কাটার পর পরের ধাপে হাত কাটার চিন্তা ভাবনা করছিল ছাত্রটি। ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রটি জানিয়েছে, খাওয়া, পড়া ছেড়ে নীল তিমিতেই মজে থাকত সে।

গল্পের ছলেই ছাত্রটির কাউন্সেলিং শুরু হয়। কথা হয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও। একাধিকবার ছাত্রটির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন, এডিজি সিআইডি। এই মুহূর্তে ছাত্রটির মতি ফিরেছে বলেই মনে করছেন সিআইডির আধিকারিকরা।
ঘটনায় কলেজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ওই ছাত্র। সিআইডিকেও কাউন্সেলিং-এর জন্য ধন্যবাদ দিয়েছে ওই ছাত্র।
শহরের নামী মনোবিদদের কথায়, বাড়ির লোকেদের আরও সচেতন হতে হবে। কেন অমনযোগী, সেই বিষয়টিতে লক্ষ্য রাখতে হবে। কথোপকথনও বাড়াতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications