বড় ধাক্কা রাজ্যের! উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়াতে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট
বড় ধাক্কা রাজ্যের! উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়াতে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুজোর আগেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে ফের আটকে
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় ধাক্কা! আইনি জটিলতায় ফের একবার আটকে গেল সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া। উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়াতে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে এহেন নির্দেশ জানায় কলকাতা হাইকোর্ট।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুজোর আগেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে ফের আটকে গেল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়া।
আদালতের এই নির্দেশের পরে কার্যত ধুলে রইল প্রায় ১৪ হাজার ৩৩৯ পদে নিয়োগ। ৯ জুলাই ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন আদালত কি নির্দেশ দেয় সেটাই এখন দেখার।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, আপার প্রাইমারিতে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আর প্রাইমারিতে ১০ হাজার। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগেই বাংলায় প্রায় ২৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয়, ভোট মিটলেও আরও শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, পুজোর পর আরও ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। কার্যত এরপরেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। ২১ জুন পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
একদিকে যখন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় অন্যদিকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় একাধিক পরীক্ষার্থী। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ আবেদনকারীদের। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতের দ্বারস্থ হন মামলাকারীরা।
তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাতে প্রাপ্ত নম্বর বেশি পাওয়ার পরেও তাঁদের মেধা তালিকাতে জায়গা হয়নি। কিন্তু তাদের থেকে অনেকের নম্বর কম রয়েছে কিন্তু মেঘা তালিকাতে জায়গা হয়ে গিয়েছে। আর এই বিষয়েই আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।
এদিন আদালতে এই মামলার শুনানি হয়। সেখানে এই বিষয়ে আদালতের কাছে একগুচ্ছ অভিযোগ জমা দেওয়া পড়ে। শুধু তাই নয়, অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ কিছু প্রমান্য নথিও তাঁরা জমা দেন। এই অবস্থায় দীর্ঘ শুনানি শেষে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ দিয়ে দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
বলা প্রয়োজন, এর আগে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের সমস্ত প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে আদালত নির্দেশে জানায়। গত মাসের শেষে আদালতের নির্দেশ মেনে মেধাতালিকা প্রকাশ করে পর্ষদ।
আর তাতেও দুর্নীতির অভিযোগ! তবে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন যে, কোনও সুপারিশ কাজে লাগবে না। নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতেই। সেই বিষয়টিকেই তুলে ধরা পর্ষদের তরফে।
বলা হয়েছে, 'পর্ষদের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ওপর ভরসা রাখুন। মেধার ভিত্তিতে যাঁরা উত্তীর্ণ হবেন, তাঁরাই নিয়োগপত্র পাবেন।' কিন্তু এরপরেও কেন এমন অভিযোগ? প্রশ্ন বিরোধীদের।












Click it and Unblock the Notifications