মানিক-অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা? মেজাজ হারিয়ে যা বললেন ব্রাত্য বসু
নিয়োগ দুর্নীতিতে কার্যত বড় পদক্ষেপ তৃণমূলের! অস্বস্তি ঢাকতে হুগলির যুবনেতা কুন্তল ঘোষ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত। নিয়োগ দুর্নীতিতে বিপুল টাকা উদ্ধারের পরেই তৃণমূল মহাসচিব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।
আর সেই সময়ে তৃণমূল স্পষ্ট জানায় যে, দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। কোনও ভাবেই দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। এই অবস্থায় দেরিতে হলেও কুন্তল-শান্তুনুকে বহিষ্কার করা হলেও কেন মানিক এবং অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জেলে থেকেও শাসকদলের বিধায়ক!
নিয়োগ দুর্নীতিতে ইতিমধ্যে পলাশীপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর ছেলে এবং বউকেও ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে কার্যত এই মুহূর্তে গোটা পরিবারই জেল বন্দি। কিন্তু দিনের পর দিন কেটে গেলেও এখনও শাসকদলের বিধায়ক হিসাবে রয়েছে পলাশীপাড়ার বিধায়ক। দলের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে আজ মঙ্গলবার কুন্তল-মানিককে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও মানিক এখনও দলের বিধায়কই।

অনুব্রত ইস্যুতে কেন চুপ তৃণমূল
শুধু তাই নয়, গরু পাচার কাণ্ডে এই মুহূর্তে দিল্লিতে ইডির হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এর আগে কয়েক মাস কেটে গিয়েছে আসানসোলে। কিন্তু এরপরেও বীরভূমের বেতাজ বাদশা হিসাবে রয়েছেন অনুব্রত। শুধু তাই নয়, গোটা তৃণমূল এই মুহূর্তে অনুব্রত মণ্ডলের পাশে রয়েছে। এমনকি তাঁকে জেল থেকে বীরের মতো বার করে আনার কথাও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বীরভূমের বাঘ হিসাবে অনুব্রত মণ্ডলকে ইতিমধ্যে দাবি করেছেন ফিরহাদ।

যা বলল তৃণমূল
যেখানে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে সেখানে এহেন দাবি ঘিরে শুরু হয় জোর রাজনৈতিক তরজা। কড়া ভাষায় তৃণমূলের সমালোচনা করেছে বিরোধীরা। এই অবস্থায় আজ মঙ্গলবার শশী পাঁজা এবং ব্রাত্য বসুকে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে আগামিদিনে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা দেখতেই পাবে সকলে। এমনকি দল তা জানাবে বলেও দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। অন্যদিকে মানিক ইস্যুতে তাঁর দাবি, মানিক ভট্টাচার্য কোনও পদে তৃণমূলের নেই। তিনি শুধুমাত্র একজন নির্বাচিত বিধায়ক। একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে সরিয়ে দেওয়া যায় না বলেই জবাব ব্রাত্য বসুর।

কটাক্ষ বাম -কংগ্রেসের
যদিও এই বিষয়ে কড়া ভাষায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। বিরোধীদের দাবি, অনুব্রত মণ্ডলকে ভয় পায় শাসক নেতারা। যদি সব কিছু ফাঁস করে দেয়। আর সেজন্যেই তাঁকে পদে রাখা হচ্ছে বলে কটাক্ষ বাম-কংগ্রেসের।












Click it and Unblock the Notifications