বিপুল জয়েও বঙ্গে কাঁটা বিজেপির, সায়ন্তনের বিতর্কিত পোস্টে ব্যাটন ছাড়ার ইঙ্গিত
বাংলায় বিজেপির জয়জয়কার হয়েছে। দুই থেকে বেড়ে ১৮টি কেন্দ্রে এবার উড়েছে বিজেপির জয়নিশান। তারপরও বেসুরে বাজতে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।
বাংলায় বিজেপির জয়জয়কার হয়েছে। দুই থেকে বেড়ে ১৮টি কেন্দ্রে এবার উড়েছে বিজেপির জয়নিশান। তারপরও বেসুরে বাজতে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। সবাই যখন বিপুল উন্মাদনায় জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা, তখন সায়ন্তনের একটা ফেসবুক পোস্ট যেন কাঁটা হয়ে বিঁধছে বিজেপির অন্দরে।

বসিরহাট কেন্দ্র থেকে সায়ন্তন তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে লড়াই করে হেরে যান। বিজয়ী ১৮ জন ভাবী সাংসদের মধ্যে তাঁর নাম নেই। তিনি তাই ফেসবুকে হতাশাজনক এক পোস্ট করে নিজের অসন্তোষের বার্তা দিলেন। বুঝিয়ে দিলেন বসিরহাটের টিকিটে তিনি আদৌ সন্তুষ্ট ছিলেন না।
এদিন ফেসবুকে তিনি পোস্ট করে প্রথমে দলের বিপুল জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সাধারণ সম্পাদর। কিন্তু তাঁর পোস্টের পরবর্তী অংশে ঝরে পড়ে অভিমান। এমনকী তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দেন, তিনি ব্যাটন ছাড়তে প্রস্তুত। তিনি লেখেন- দীর্ঘ চেষ্টার পর বাংলায় বিজেপির স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। গাড়ি গড়াতে আরম্ভ করেছে। এবার সেই চলমান গাড়িতে তাঁর আসনে কেউ বসতে পারেন।
এর পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস এবার বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার পাবো আমরা। এবার বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, সেদিন তাঁর থেকে বেশি খুশি কেউ হবেন না। কিন্তু তিনি বিজেপির রথ থেকে নেমে যেতে চান। তাঁর এই মন্তব্যে তিনি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন বিস্ফোরণের। দলের মধ্যে যে মতানৈক্য রয়েছে এই প্রবল উল্লাস-উন্মাদনার মধ্যেও তা প্রকাশ্যে এসে পড়ছে।
এখন দেখার বঙ্গে লোকসভা ভোটে এহেন সাফল্যের পর বিজেপি এই অস্বস্তি কীভাবে দূর করে। কীভাবে পরিস্থিতিকে লঘু করে বাংলা দখলের ঘুঁটি সাজায়। কারণ এবার বিজেপির লক্ষ্য বঙ্গ-বিজয়। ২০২১-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে বাংলায় বিজেপির শাসন কায়েম করাই মূল উদ্দেশ্য বিজেপির। তার আগে দলের অন্তর্কলহ মেটাতে হবে পদ্মশিবিরে।












Click it and Unblock the Notifications