বিজেপির প্রার্থী হতে এক সাংসদ পদত্যাগ করেছেন, বাকি চারজনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এবার প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির পাঁচ সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রাজ্যসভার সসাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত নৈতিক কারণে রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়ে দিয়েছেন।
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এবার প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির পাঁচ সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রাজ্যসভার সসাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত নৈতিক কারণে রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাকিরা কেন সাংসদ পেদ থেকেই বিধানসভায় লড়ছেন, কেন তাঁরা নৈতিক কারণে স্বপনবাবুর মতো সাংসদপদ ছাড়ছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল রাজনৈতিক মহলে।

সাংসদ পদ না ছেড়েই লড়তে পারেন বিধানসভায়?
বিজেপির একুশের বিধানসভা নির্বাচনে লোকসভার চারজন সাংসদকে প্রার্থী করেছেন। তাঁরা হলেন, বাবুল সুপ্রিয়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। তাঁরা কেউই সাংসদপদ ছাড়েননি। তাঁরা কি সাংসদ পদ না ছেড়েই লড়তে পারেন? তা কী উপায়ে সম্ভব তা নিয়ে দলের অন্দরে এবং বাইরে জল্পনা চলছে।

রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত
রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত রাষ্ট্রপতি মনোনীত ছিলেন। তিনি একটি বিশেষ দলের হয়ে বিধানসভা প্রার্থী হওয়ায় নৈতিক প্রশ্ন উঠেছিল। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সেই প্রশ্ন তোলায় রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। কিন্তু সেই পরিস্থিতি নয় বাকি চার লোকসভা সাংসদে্র।

বেছে নিতে হবে- বিধায়ক নয় সাংসদ পদ
বাবুল সুপ্রিয়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিকরা সাসংদ পদ ত্যাগ না করেই ভোটে লড়তে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁরা বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হলে যে কোনও একটা পদ বেছে নিতে হবে। হয় বিধায়ক, নয় সাংসদ। যে পদ ছাড়বেন নেতা-নেত্রীরা ফের সেই আসনে উপনির্বাচন হবে।

বিজেপি চার সাংসদের কেন্দ্রে জিতলে উপনির্বাচন
তবে বিজেপি সাংসদরা যদি ভোটে হারেন, তাহলে উপনির্বাচনের আর কোনও প্রয়োজন পড়বে না। তাঁরা যেমন সাংসদ ছিলেন, তেমনই রয়ে যাবেন। তবে নীতিগতভাবে সাংসদরা পদত্যাগ করে ভোটে লড়তেই পারেন। সেটা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। মোট কথা, বিজেপি ওই চার সাংসদের কেন্দ্রে জিতলে উপনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী। অন্যথায় সাংসদ পদ ত্যাগ না করায় প্রশ্ন নেই উপনির্বাচনের।












Click it and Unblock the Notifications