বিজেপির ‘অনাড়ম্বর’ পুজো উদ্বোধনে দিলীপও নেই, নির্বাচনোত্তর দুর্গা-আরাধনায় শূন্যতা

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির পরিচালিত দুর্গাপুজোর একরকম মহিমা আর নির্বাচনোত্তর পুজো আর একরকম। ঘটা করে গতবার পুজো উদ্বোধন করা হয়েছিল, দুর্গা-আরাধনরা সেই ধুমধাম একেবারে উধাও এবার।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির পরিচালিত দুর্গাপুজোর একরকম মহিমা আর নির্বাচনোত্তর পুজো আর একরকম। ঘটা করে গতবার পুজো উদ্বোধন করা হয়েছিল, দুর্গা-আরাধনরা সেই ধুমধাম একেবারে উধাও এবার। জাঁকজমকের লেশমাত্রও নেই ২০২১-এর নির্বাচনোত্তর পুজোয়। অনাড়ম্বরভাবেই শুভেন্দু-সুকান্তের হাত ধরে উদ্বোধন হল বিজেপির দুর্গাপুজো।

বিজেপির ‘অনাড়ম্বর’ পুজো উদ্বোধনে দিলীপও নেই, শুধুই শূন্যতা

বিজেপির পুজো হবে কি হবে না তা নিয়ে সংশয় তো ছিলই। তবে পুজো হচ্ছে, কিন্তু নেই গতবারের চাকচিক্য। উদ্বোধনে ঘটাও নেই। সল্টলেকের অস্থায়ী মঞ্চে ষষ্ঠীর বিকেলে আড়ম্বরহীন পুজো উদ্বোধনে ছিলেন না বিজেপির সদ্য প্রাক্তন রাজ্যে সভাপতি দিলীপ ঘোষও। আর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির জেপি নাড্ডাও ছিলেন না ভার্চুয়ালি।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন ছিল বলেই ২০২০-তে বিজেপির পুজোয় জেপি নাড্ডা-সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের আনাগোনা ছিল। এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আর সদ্য নির্বাচিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পুজো উদ্বোধন সারলেন। ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা ও প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ধাক্কাটা কম লাগেনি। যতই বিজেপি নেতৃত্ব বলুন না কেন তারা ৩ থেকে বেড়ে ৭৭ হয়েছেন। তাদের উত্থান হয়েছে বাংলায়। কিন্তু তারা একুশে অভিযান শুরু করেছিল ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে। তার ধারেকাছেও তারা পৌঁছতে পারেনি। তিন ভাগের এক ভাগ আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। তারপর এই ধাক্কার উপর বিজেপির পরিষদীয় টিম আরও ছোট হচ্ছে বিধায়কদের দলবদলে। এমনিতেই তারা এখন কমে ৭০-এ দাঁড়িয়ে রয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর বিজেপি এবার দুর্গাপুজো করার ব্যাপারে উৎসাহী ছিল না। কিন্তু পরে তারা শাস্ত্রীয় বিধানমতে তিনবার পুজো করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। গতবার বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করে বাংলায় বিজেপির দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার উদ্বোধনের জন্য অন্তত জেপি নাড্ডাকে চেয়েছিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।

নাড্ডাকে পেতে বিজেপির কেন্দ্রীয় সদর দফতরে চিঠি পর্যন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও উত্তর আসেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে। তাই বিকল্প উদ্বোধনের পথ বেছে নিয়ে বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের এই পুজো উদ্বোধন করেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবারের পুজোর ঘোর বিরোধী ছিলেন। তিনি এদিন উপস্থিত হননি পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। উল্লেখ্য, গতবারের পুজোর মূল উদ্যোক্তা সব্যসাচী দত্ত মাত্র কয়েকদিন আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, তাই এবার পুজোয় ভাটা পড়েছে অনেক কারণে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+