বিজেপির আরও এক বিধায়ক কি এবার তৃণমূলের পথে? ভাড়া নিয়ে কোন্দলকে মিথ্যা অ্যাখ্যা 'বেসুরো' নেতার
বিজেপির আরও এক বিধায়ক কি এবার তৃণমূলের পথে? ভাড়া নিয়ে কোন্দলকে মিথ্যা অ্যাখ্যা 'বেসুরো' নেতার
ভোটের আগে যাঁরা ভেবেছিলেন বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় আসবে, তাঁরা মূলত তৃণমূল (Trinamool Congress) ছেড়ে গিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে। তাঁদের মধ্যে মন্ত্রী থেকে বিধায়ক, অনেক প্রভাবশালী নেতাও। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতার ধারে কাছে যেতে পারেনি। ফলে সেইসব নেতারা তৃণমূলে ফিরতে শুরু করেছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের অনেক বিধায়কও। দলের সঙ্গে বিরোধ এমন পর্যায়ে গিয়েছে, যে ভাড়া নিয়ে পর্যন্ত বিবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে।

জেলা দলীয় কার্যালয়ে তালা
রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। সেই দলেরই কিনা জেলা অফিসে তালা। আর এই তালা দিয়েছেন দলেরই বিধায়ক। এমনটাই অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বিজেপি নেতৃত্বের। জেলা বিজেপি নেতা সুবীর সেন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, তিনি গিয়ে দেখেন কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। সেই সময় তিনি বনগাঁ উত্তরে বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার কাছে চাবি আনতে যান। কিন্তু ভাড়া না মেটানোর তিনি চাবি দিতে অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। তিনি বলেছেন কার্যালয়ের চাবি থাকে বিধায়কের কাছে। সেই চাবির জন্য বিধায়কের কাছে গেলে তিনি জানিয়ে দেন ভাড়া না পেলে চাবি মিলবে না। ছমাসের ভাড়া বাকি রয়েছে।

ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে
বিজেপির জেলার নেতারা বলছেন, বনগাঁ উত্তরের বিজেপির বিধায়কের মনে হয়ত কোনও কারণে ক্ষোভ রয়েছে। যা তিনি (বিধায়ক) বলতে পারছেন না। কিন্তু তাঁকে বিজেপির নেতা-কর্মীরা মিলে জিতিয়েছেন। তারপরে বিধায়কের অসহযোগিতায় তারা ব্যথিত বলেও উল্লেখ করেছেন নেতারা। পাশাপাশি তাঁরা এটাও মানছেন, হয়ত কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তার জন্য বিধায়ক দলের নেতৃত্বের কাছে জানাতে পারতেন বলেও মনে করেন .জেলার গেরুয়া শিবিরের নেতারা।

মিথ্যা রটনা
তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় কার্যালয়ের চাবি আটকে রাখার অভিযোগ মিথ্যা বলেই দাবি করেছেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, যে কার্যালয়ের চাবির কথা বলা হচ্ছে, তা তাঁর কাছে নেই। কেন তিনি দলীয় কার্যালয়ের চাবি আটকে রাখবেন, সেই প্রশ্ন করেছেন ওই বিধায়ক। দলের নেতাপা এই রটনা কেন করছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওই বিধায়ক।

অনেকদিন ধরেই 'বেসুরো'
তবে অনেকদিন ধরেই বেসুরো বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। গত অগাস্ট মাসে সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল বিজেপি। কিন্তু সেই বৈঠকে হাজির থাকেননি বাগদার বিশ্বজিৎ দাস এবং বনগাঁ উত্তরে অশোক কীর্তনীয়া। পরবর্তী সময়ে বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে ফিরে যান। অশোক কীর্তনীয়া মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলে তিনি যে ভবিষ্যতে তৃণমূলে যাবেন না, তা কেউ হলফ করে বলতে পারছেন না। আর বিধায়ক দলীয় কার্যালয়ের চাবি আটকে রেখেছেন, এমন অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের চোখ এড়িয়ে যায়নি। বিষয়টিকে গাষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে কটাক্ষ করেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে












Click it and Unblock the Notifications